ঢাকা ০২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগ চার হাজার ভোটকেন্দ্র পোড়াবে

নিউজ ডেস্ক:-
  • আপডেট সময় ১১:০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ১০৬ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগ চার হাজার ভোটকেন্দ্র পোড়াবে বলে অভিযোগ করেছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক্ব নূর।

‘একতরফা’ নির্বাচন বর্জন এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে নুরুল হক নেতৃত্বাধীন গণ অধিকার পরিষদের গণসংযোগ কর্মসূচিতে হামলা হয়েছে। আওয়ামী লীগের কর্মীরা এই হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ গণ অধিকার পরিষদের। বুধবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গণ অধিকার পরিষদের অভিযোগ, ‘একতরফা’ নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়ে আজ বেলা সাড়ে ১১টায় কারওয়ান বাজারের পেট্রোবাংলার সামনে থেকে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ শুরু করেন দলের নেতা-কর্মীরা। কারওয়ান বাজার ও বাংলামোটর মোড়ে তাঁরা সংক্ষিপ্ত পথসভা করেন।

বাংলামোটর মোড়ে পথসভা শেষে ইস্কাটন রোডের দিকে গণসংযোগ শুরু করলে আওয়ামী লীগের কর্মীরা এসে স্লোগান ও লিফলেট বিতরণ বন্ধ করতে বলেন। তারা গালিগালাজও করতে থাকেন।

মুহূর্তের মধ্যে আরেক দল এসে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক (নুর) ও সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খানের ওপর হামলা করতে উদ্যত হয়। তখন গাড়ির পেছনে থাকা গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা এগিয়ে এলে তাদের মেরে আহত করেন ক্ষমতাসীন দলের কর্মীরা। গণমাধ্যমকর্মীরা ভিডিও করতে গেলে হামলাকারীরা তাদের দিকেও তেড়ে যান বলে অভিযোগ করেছে গণ অধিকার পরিষদ।

হামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান, অর্থ সম্পাদক প্রিয়ম আহমেদসহ গণ অধিকার পরিষদের চার থেকে পাঁচজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় আছেন বলে গণ অধিকারের নেতারা জানিয়েছেন।

হামলার আগে পথসভায় নুরুল হক বলেন, আওয়ামী লীগের নেতা, সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা হঠাৎ নাশকতা ও গুপ্তহত্যার কথা বলছেন। যেখানে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা মিথ্যা মামলায় কারাগারে, প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে পারছেন না, সেখানে তারা কীভাবে গুপ্তহত্যার পরিকল্পনা করবেন? অর্থাৎ আওয়ামী লীগ ও সরকারের বিভিন্ন সংস্থা যে গুপ্তহত্যা ও নাশকতার পরিকল্পনা করছে, তার দায় তারা আগেই বিএনপিসহ বিরোধীদের ওপর চাপাতে চাচ্ছে।

নুরুল হক বলেন, ‘খবর পেয়েছি, তারা চার হাজার ভোটকেন্দ্র পোড়াবে। যাতে বিরোধীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সহিংস হিসেবে দেখাতে পারে।’

গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করছেন। কিন্তু এই আন্দোলন বন্ধ করার নানা পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে।

গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমানের সঞ্চালনায় পথসভায় আরও বক্তব্য দেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান মামুন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি নাজিম উদ্দিন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি তারিকুল ইসলাম, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনুজুর মোর্শেদ, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা প্রমুখ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য শাকিল উজ্জামান, শহিদুল ইসলাম, আবদুজ জাহের, জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগ চার হাজার ভোটকেন্দ্র পোড়াবে

আপডেট সময় ১১:০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৪

আওয়ামী লীগ চার হাজার ভোটকেন্দ্র পোড়াবে বলে অভিযোগ করেছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক্ব নূর।

‘একতরফা’ নির্বাচন বর্জন এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে নুরুল হক নেতৃত্বাধীন গণ অধিকার পরিষদের গণসংযোগ কর্মসূচিতে হামলা হয়েছে। আওয়ামী লীগের কর্মীরা এই হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ গণ অধিকার পরিষদের। বুধবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গণ অধিকার পরিষদের অভিযোগ, ‘একতরফা’ নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়ে আজ বেলা সাড়ে ১১টায় কারওয়ান বাজারের পেট্রোবাংলার সামনে থেকে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ শুরু করেন দলের নেতা-কর্মীরা। কারওয়ান বাজার ও বাংলামোটর মোড়ে তাঁরা সংক্ষিপ্ত পথসভা করেন।

বাংলামোটর মোড়ে পথসভা শেষে ইস্কাটন রোডের দিকে গণসংযোগ শুরু করলে আওয়ামী লীগের কর্মীরা এসে স্লোগান ও লিফলেট বিতরণ বন্ধ করতে বলেন। তারা গালিগালাজও করতে থাকেন।

মুহূর্তের মধ্যে আরেক দল এসে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক (নুর) ও সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খানের ওপর হামলা করতে উদ্যত হয়। তখন গাড়ির পেছনে থাকা গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা এগিয়ে এলে তাদের মেরে আহত করেন ক্ষমতাসীন দলের কর্মীরা। গণমাধ্যমকর্মীরা ভিডিও করতে গেলে হামলাকারীরা তাদের দিকেও তেড়ে যান বলে অভিযোগ করেছে গণ অধিকার পরিষদ।

হামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান, অর্থ সম্পাদক প্রিয়ম আহমেদসহ গণ অধিকার পরিষদের চার থেকে পাঁচজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় আছেন বলে গণ অধিকারের নেতারা জানিয়েছেন।

হামলার আগে পথসভায় নুরুল হক বলেন, আওয়ামী লীগের নেতা, সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা হঠাৎ নাশকতা ও গুপ্তহত্যার কথা বলছেন। যেখানে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা মিথ্যা মামলায় কারাগারে, প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে পারছেন না, সেখানে তারা কীভাবে গুপ্তহত্যার পরিকল্পনা করবেন? অর্থাৎ আওয়ামী লীগ ও সরকারের বিভিন্ন সংস্থা যে গুপ্তহত্যা ও নাশকতার পরিকল্পনা করছে, তার দায় তারা আগেই বিএনপিসহ বিরোধীদের ওপর চাপাতে চাচ্ছে।

নুরুল হক বলেন, ‘খবর পেয়েছি, তারা চার হাজার ভোটকেন্দ্র পোড়াবে। যাতে বিরোধীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সহিংস হিসেবে দেখাতে পারে।’

গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করছেন। কিন্তু এই আন্দোলন বন্ধ করার নানা পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে।

গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমানের সঞ্চালনায় পথসভায় আরও বক্তব্য দেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান মামুন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি নাজিম উদ্দিন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি তারিকুল ইসলাম, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনুজুর মোর্শেদ, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা প্রমুখ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য শাকিল উজ্জামান, শহিদুল ইসলাম, আবদুজ জাহের, জসিম উদ্দিন প্রমুখ।