ঢাকা ১২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বন্ধ করা হবে ৫০০ ইটভাটা : পরিবেশমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৩০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৫৫ বার পড়া হয়েছে

ইট ভাটা

ইটভাটা বন্ধ করতে সরকার ১০০ দিনের কর্মসূচি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘১০০ দিনের কর্মসূচিতে অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে ৫০০ ইটভাটা বন্ধ করে দেব। এগুলো শুধু বন্ধ নয়, যাতে পরবর্তীতে আর চালু না করতে পারে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফেনী সার্কিট হাউসে গণমাধ্যম কর্মীদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ইটভাটা বন্ধে মন্ত্রীর পূর্ব অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের পূর্বের অভিজ্ঞতা হচ্ছে, আমরা ব্যবস্থা নিই, ভাটা বন্ধ করি, পরে আবার চালুও করা হয়।’

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘ফেনীর ইটভাটাগুলো নিয়ে আমি যতটুকু জানি, যখন ভাটাগুলো স্থাপন করা হয় তখন কোনো বসতি আশপাশে ছিল না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল না।

এখন হয়ে গেছে। এসব কারণে ইটভাটাগুলো নবায়ন দেওয়া হচ্ছে না। এমতাবস্থায় আমরা ব্লকের প্যাকেজের দিকে যাচ্ছি। আমরা আশা করব এখানে যারা ভাটার মালিক রয়েছেন, তারা সরকার থেকে প্যাকেজ গ্রহণ করে ব্লকের দিকে যাবেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘কয়টা ইটভাটা আছে আমরা কয়টা অভিযান পরিচালনা করলাম এখন আমরা এই আলোচনায় থাকতে চাই না। আমরা চাইব, সবগুলো ভাটা বন্ধ হয়ে যাক। সবাই আধুনিক পদ্ধতিতে ব্লক তৈরি শুরু করুক। ব্লকের দুটো সুবিধা আছে―একটা হচ্ছে এখানে কোনো কৃষি মাটির ব্যবহার হবে না, আরেকটা হচ্ছে ব্লক তৈরিতে বায়ুদূষণ হয় না।

নিউজটি শেয়ার করুন

বন্ধ করা হবে ৫০০ ইটভাটা : পরিবেশমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৩০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ইটভাটা বন্ধ করতে সরকার ১০০ দিনের কর্মসূচি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘১০০ দিনের কর্মসূচিতে অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে ৫০০ ইটভাটা বন্ধ করে দেব। এগুলো শুধু বন্ধ নয়, যাতে পরবর্তীতে আর চালু না করতে পারে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফেনী সার্কিট হাউসে গণমাধ্যম কর্মীদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ইটভাটা বন্ধে মন্ত্রীর পূর্ব অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের পূর্বের অভিজ্ঞতা হচ্ছে, আমরা ব্যবস্থা নিই, ভাটা বন্ধ করি, পরে আবার চালুও করা হয়।’

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘ফেনীর ইটভাটাগুলো নিয়ে আমি যতটুকু জানি, যখন ভাটাগুলো স্থাপন করা হয় তখন কোনো বসতি আশপাশে ছিল না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল না।

এখন হয়ে গেছে। এসব কারণে ইটভাটাগুলো নবায়ন দেওয়া হচ্ছে না। এমতাবস্থায় আমরা ব্লকের প্যাকেজের দিকে যাচ্ছি। আমরা আশা করব এখানে যারা ভাটার মালিক রয়েছেন, তারা সরকার থেকে প্যাকেজ গ্রহণ করে ব্লকের দিকে যাবেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘কয়টা ইটভাটা আছে আমরা কয়টা অভিযান পরিচালনা করলাম এখন আমরা এই আলোচনায় থাকতে চাই না। আমরা চাইব, সবগুলো ভাটা বন্ধ হয়ে যাক। সবাই আধুনিক পদ্ধতিতে ব্লক তৈরি শুরু করুক। ব্লকের দুটো সুবিধা আছে―একটা হচ্ছে এখানে কোনো কৃষি মাটির ব্যবহার হবে না, আরেকটা হচ্ছে ব্লক তৈরিতে বায়ুদূষণ হয় না।