ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দাম ও ফলন ভালো হওয়ায় বাড়ছে বোরো চাষ

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ১০৭ বার পড়া হয়েছে

ছবি-সংগৃহীত

পটুয়াখালীতে দিন দিন বাড়ছে বোরো ধানের চাষ। উন্নত জাত ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সহজলভ্য হওয়ায় কৃষকেরা বোরো চাষে ঝুঁকছেন। কৃষি বিভাগ বলছে, ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় কৃষকেরা আবাদী জমির পরিমাণ বাড়াচ্ছেন। আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত থাকলে উপকূলের কৃষকেরা ধান উৎপাদনে সমৃদ্ধি অর্জন করবেন।

ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসসহ জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক কারণে উপকূলীয় এলাকার কৃষকেরা সব সময়ই ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছেন। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কৃষকেরা নতুন নতুন জাত ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভালো ফলন পাচ্ছেন।পটুয়াখালীসহ দক্ষিণ অঞ্চলে সাধারণত কৃষকেরা শতভাগ জমিতে আমন ধান চাষ করলেও বোরো চাষে কৃষকদের তেমন আগ্রহ ছিল না। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে লবণসহিষ্ণু বেশকিছু উচ্চফলনশীল ধানের জাত বের হওয়ায় এবং জমিতে সেচের জন্য বিভিন্ন সুযোগ তৈরি হওয়ায় এ ধান চাষে আগ্রহী হচ্ছেন তারা। কৃষকেরা এখন দিন-রাত ধানের চারা লাগাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।জেলার কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরমারা গ্রামে দেখা যায়, একরের পর একর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। কেউবা জমিতে চাষ দিচ্ছেন, কেউ আবার বীজ রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সব মিলিয়ে এখন বোরো চাষের শেষ সময় হওয়ায় কৃষকদের যেন দম ফেলার সময় নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

দাম ও ফলন ভালো হওয়ায় বাড়ছে বোরো চাষ

আপডেট সময় ১২:৪৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পটুয়াখালীতে দিন দিন বাড়ছে বোরো ধানের চাষ। উন্নত জাত ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সহজলভ্য হওয়ায় কৃষকেরা বোরো চাষে ঝুঁকছেন। কৃষি বিভাগ বলছে, ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় কৃষকেরা আবাদী জমির পরিমাণ বাড়াচ্ছেন। আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত থাকলে উপকূলের কৃষকেরা ধান উৎপাদনে সমৃদ্ধি অর্জন করবেন।

ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসসহ জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক কারণে উপকূলীয় এলাকার কৃষকেরা সব সময়ই ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছেন। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কৃষকেরা নতুন নতুন জাত ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভালো ফলন পাচ্ছেন।পটুয়াখালীসহ দক্ষিণ অঞ্চলে সাধারণত কৃষকেরা শতভাগ জমিতে আমন ধান চাষ করলেও বোরো চাষে কৃষকদের তেমন আগ্রহ ছিল না। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে লবণসহিষ্ণু বেশকিছু উচ্চফলনশীল ধানের জাত বের হওয়ায় এবং জমিতে সেচের জন্য বিভিন্ন সুযোগ তৈরি হওয়ায় এ ধান চাষে আগ্রহী হচ্ছেন তারা। কৃষকেরা এখন দিন-রাত ধানের চারা লাগাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।জেলার কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরমারা গ্রামে দেখা যায়, একরের পর একর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। কেউবা জমিতে চাষ দিচ্ছেন, কেউ আবার বীজ রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সব মিলিয়ে এখন বোরো চাষের শেষ সময় হওয়ায় কৃষকদের যেন দম ফেলার সময় নেই।