ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফেব্রুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি ৯.৬৭ শতাংশ

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:০৬:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মার্চ ২০২৪
  • / ৯৯ বার পড়া হয়েছে

চলতি অর্থবছরে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশের মধ্যে রাখার। কিন্তু মূল্যস্ফীতির পাগলা ঘোড়া কিছুতেই সামলানো সম্ভব হচ্ছে না। ফেব্রুয়ারিতে দেশের মূল্যস্ফীতি জানুয়ারি থেকে কিছুটা কমে ৯.৬৭ শতাংশে ঠেকেছে। জানুয়ারিতে এটি ছিল ৯.৮৬ শতাংশ।
যদিও দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতিতে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭.৫ শতাংশে রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ তথ্য বলছে, ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের মূল্যস্ফীতি ৯.৬৭ শতাংশ। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে এই হালনাগাদ তথ্য জানা গেছে। মূল্যস্ফীতি ৯.৬৭ শতাংশের অর্থ হলো, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোনো পণ্যের মূল্য ১০০ টাকা হলে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তা ১০৯ টাকা ৬৭ পয়সায় কিনতে হয়েছে।এ সময় দেশের খাদ্যের গড় মূল্যস্ফীতি ৯.৫৬ শতাংশ, যেখানে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ। এদিকে শহরের তুলনায় গ্রামের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। গ্রামের মূল্যস্ফীতি ৯.৪৮ শতাংশ, যেখানে শহরের মূল্যস্ফীতি ৯.৮৮ শতাংশ। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে বড় ধরনের অর্থসংকটের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ।

এর ফলে কর্মসংস্থানের সংকট যেমন দেখা দিয়েছে, উৎপাদনেও দেখা দিয়েছে ঘাটতি। ২০২২ সালের আগস্ট মাসের ৫ তারিখ দেশে তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মূল্যস্ফীতি রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল। এখন পর্যন্ত সেই উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাব রয়েছে অর্থনীতিতে। যদিও চলতি অর্থবছর সরকারের লক্ষ্যমাত্রা মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশের মধ্যে রাখার, কিন্তু কোনোভাবেই গড় মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৯ শতাংশের নিচে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফেব্রুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি ৯.৬৭ শতাংশ

আপডেট সময় ০১:০৬:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মার্চ ২০২৪

চলতি অর্থবছরে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশের মধ্যে রাখার। কিন্তু মূল্যস্ফীতির পাগলা ঘোড়া কিছুতেই সামলানো সম্ভব হচ্ছে না। ফেব্রুয়ারিতে দেশের মূল্যস্ফীতি জানুয়ারি থেকে কিছুটা কমে ৯.৬৭ শতাংশে ঠেকেছে। জানুয়ারিতে এটি ছিল ৯.৮৬ শতাংশ।
যদিও দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতিতে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭.৫ শতাংশে রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ তথ্য বলছে, ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের মূল্যস্ফীতি ৯.৬৭ শতাংশ। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে এই হালনাগাদ তথ্য জানা গেছে। মূল্যস্ফীতি ৯.৬৭ শতাংশের অর্থ হলো, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোনো পণ্যের মূল্য ১০০ টাকা হলে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তা ১০৯ টাকা ৬৭ পয়সায় কিনতে হয়েছে।এ সময় দেশের খাদ্যের গড় মূল্যস্ফীতি ৯.৫৬ শতাংশ, যেখানে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ। এদিকে শহরের তুলনায় গ্রামের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। গ্রামের মূল্যস্ফীতি ৯.৪৮ শতাংশ, যেখানে শহরের মূল্যস্ফীতি ৯.৮৮ শতাংশ। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে বড় ধরনের অর্থসংকটের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ।

এর ফলে কর্মসংস্থানের সংকট যেমন দেখা দিয়েছে, উৎপাদনেও দেখা দিয়েছে ঘাটতি। ২০২২ সালের আগস্ট মাসের ৫ তারিখ দেশে তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মূল্যস্ফীতি রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল। এখন পর্যন্ত সেই উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাব রয়েছে অর্থনীতিতে। যদিও চলতি অর্থবছর সরকারের লক্ষ্যমাত্রা মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশের মধ্যে রাখার, কিন্তু কোনোভাবেই গড় মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৯ শতাংশের নিচে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।