ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার গুলিতে আহত সেই ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু

লক্ষীপুর জেলা সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় ১০:৪০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪
  • / ৫০ বার পড়া হয়েছে

ছাত্রলীগ নেতা এম সজিব। ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে গুলিবিদ্ধ ৪ ছাত্রলীগ নেতার মধ্যে এম সজিব চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।

এম সজিব চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন।

জানা গেছে, গত শুক্রবার (১২ এপ্রিল) রাতে কফিল উদ্দিন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী এম সজিব, ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুল পাটওয়ারী, সাইফুল ইসলাম জয় ও রাফি মোটরসাইকেলে চন্দ্রগঞ্জ মাহফিল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে পাঁচপাড়া এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছাড়িয়ে পালিয়ে যায়। এতে ৪ জনই গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায়  উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়।

এদিকে, হামলার ঘটনায় সোমবার (১৫ এপ্রিল) রাতে সজিবের মা বুলি বেগম বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক কাজী মামুনুর রশিদ বাবলু ও সদস্যসচিব তাজুল ইসলাম তাজু ভূঁইয়াসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। এতে অজ্ঞাতপরিচয় ২০ জনকে আসামি করা হয়। এ ঘটনা সোমবার চন্দ্রগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা তাজু ভূঁইয়াসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন- পাঁচপাড়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে ফারুক হোসেন ও একই গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে রেজাউল করিম প্রকাশ বাবু।

সজীবের মা ও মামলার বাদী বুলি বেগম বলেন, ‘ওরা আমার ছেলে গুলি করে হত্যা করেছে। আমি অভিযুক্তদের উপযুক্ত বিচার চাই।’

এ ব্যাপারে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, ছাত্রলীগ কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাদের জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার গুলিতে আহত সেই ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু

আপডেট সময় ১০:৪০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে গুলিবিদ্ধ ৪ ছাত্রলীগ নেতার মধ্যে এম সজিব চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।

এম সজিব চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন।

জানা গেছে, গত শুক্রবার (১২ এপ্রিল) রাতে কফিল উদ্দিন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী এম সজিব, ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুল পাটওয়ারী, সাইফুল ইসলাম জয় ও রাফি মোটরসাইকেলে চন্দ্রগঞ্জ মাহফিল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে পাঁচপাড়া এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছাড়িয়ে পালিয়ে যায়। এতে ৪ জনই গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায়  উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়।

এদিকে, হামলার ঘটনায় সোমবার (১৫ এপ্রিল) রাতে সজিবের মা বুলি বেগম বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক কাজী মামুনুর রশিদ বাবলু ও সদস্যসচিব তাজুল ইসলাম তাজু ভূঁইয়াসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। এতে অজ্ঞাতপরিচয় ২০ জনকে আসামি করা হয়। এ ঘটনা সোমবার চন্দ্রগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা তাজু ভূঁইয়াসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন- পাঁচপাড়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে ফারুক হোসেন ও একই গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে রেজাউল করিম প্রকাশ বাবু।

সজীবের মা ও মামলার বাদী বুলি বেগম বলেন, ‘ওরা আমার ছেলে গুলি করে হত্যা করেছে। আমি অভিযুক্তদের উপযুক্ত বিচার চাই।’

এ ব্যাপারে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, ছাত্রলীগ কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাদের জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।