ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ছাত্রলীগ নেতার পর এবার আ.লীগ নেতার ভিডিও ভাইরাল

জেলা সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় ০৪:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪
  • / ১০৯ বার পড়া হয়েছে

ছাত্রলীগ নেতার পর এবার আওয়ামী লীগ নেতার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। বরগুনার তালতলী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল আবেদীন মিঠুর আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হয়। এরপর একই নারীর সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতা ও নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ড. কামরুজ্জামান বাচ্চুর ভিডিও ভাইরাল হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ নেতাকর্মীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা দ্রুত অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগের দাবি জানান।

১ মিনিট ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিওটিতে দেখা গেছে, লঞ্চের কেবিনে, চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান বাচ্চুকে ওই নারীর সঙ্গে বেশ অন্তরঙ্গ অবস্থায় সময় কাটাচ্ছেন।

জানা যায়, এর আগেও উপজেলার কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে একই নারীর আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে ওই নারীর বিরুদ্ধে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ড. কামরুজ্জামান বাচ্চু মিয়া বাদী হয়ে গত শুক্রবার (১২ এপ্রিল) পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার ১ নম্বর সাক্ষী ছিলেন পচাকোড়ালীয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার। এ মামলায় ওই নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আটককৃত আরেকজন হলেন- উপজেলার পচাকোড়ালীয়া ইউনিয়নের চন্দনতলা এলাকার শহিদ ফকিরের ছেলে জাহিদুল ইসলাম সবজ ফকির।

তবে ভিডিও ভাইরাল হলে এক সাক্ষাৎকারে ইউপি চেয়ারম্যানের দাবি করেন ষড়যন্ত্রকারীরা সুপার এডিট করে তার ভিডিও ছেড়ে তাকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে।

পরে এ বিষয়ে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ডা. কামরুজ্জামান বাচ্চুর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি।

স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি যদি তার নিজের লোভ লালসা ঠিক করে না রাখতে পারে তাহলে পুরো এলাকার মানুষ কার উপরে ভরসা করবে। তার এহেন কর্মকাণ্ডে আমরা লজ্জিত তাকে চেয়ারম্যান পথ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বশিরুল আলম কালবেলাকে বলেন, এ মামলায় দুজন জেলহাজতে আছে, মামলার বাকি কর্যক্রমসহ তদন্ত চলমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ছাত্রলীগ নেতার পর এবার আ.লীগ নেতার ভিডিও ভাইরাল

আপডেট সময় ০৪:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪

ছাত্রলীগ নেতার পর এবার আওয়ামী লীগ নেতার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। বরগুনার তালতলী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল আবেদীন মিঠুর আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হয়। এরপর একই নারীর সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতা ও নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ড. কামরুজ্জামান বাচ্চুর ভিডিও ভাইরাল হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ নেতাকর্মীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা দ্রুত অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগের দাবি জানান।

১ মিনিট ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিওটিতে দেখা গেছে, লঞ্চের কেবিনে, চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান বাচ্চুকে ওই নারীর সঙ্গে বেশ অন্তরঙ্গ অবস্থায় সময় কাটাচ্ছেন।

জানা যায়, এর আগেও উপজেলার কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে একই নারীর আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে ওই নারীর বিরুদ্ধে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ড. কামরুজ্জামান বাচ্চু মিয়া বাদী হয়ে গত শুক্রবার (১২ এপ্রিল) পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার ১ নম্বর সাক্ষী ছিলেন পচাকোড়ালীয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার। এ মামলায় ওই নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আটককৃত আরেকজন হলেন- উপজেলার পচাকোড়ালীয়া ইউনিয়নের চন্দনতলা এলাকার শহিদ ফকিরের ছেলে জাহিদুল ইসলাম সবজ ফকির।

তবে ভিডিও ভাইরাল হলে এক সাক্ষাৎকারে ইউপি চেয়ারম্যানের দাবি করেন ষড়যন্ত্রকারীরা সুপার এডিট করে তার ভিডিও ছেড়ে তাকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে।

পরে এ বিষয়ে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ডা. কামরুজ্জামান বাচ্চুর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি।

স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি যদি তার নিজের লোভ লালসা ঠিক করে না রাখতে পারে তাহলে পুরো এলাকার মানুষ কার উপরে ভরসা করবে। তার এহেন কর্মকাণ্ডে আমরা লজ্জিত তাকে চেয়ারম্যান পথ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বশিরুল আলম কালবেলাকে বলেন, এ মামলায় দুজন জেলহাজতে আছে, মামলার বাকি কর্যক্রমসহ তদন্ত চলমান।