ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আওয়ামীলীগ নেতাকে ভোট না দেওয়ায় ২০ বাড়িঘর ভাংচুর-লুটপাট, আহত ৭

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:০২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪
  • / ৬৮ বার পড়া হয়েছে

শৈলকুপার বন্দেখালী গ্রামে দোয়াত কলম মার্কায় ভোট না দিয়ে মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট দেয়া নিয়ে উভয় গ্রুপের ২০ বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও লুটপাটে হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় দু’গ্রুপের মধ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের বন্দেখালী গ্রামে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন মেম্বারের সাথে একই গ্রামের মাতুব্বর আওয়ামী কর্মী আতিয়ার রহমানের সামাজিকভাবে বিরোধ চলে আসছিল। তার জের ধরে আতিয়ার রহমান তার সমর্থকদের নিয়ে আওয়ামী নেতা মুস্তাফিজুর রহমান মুস্তাক শিকদারের মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট দেন। তার জের ধরে দু’গ্রুপের ২০টি বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট হয়। এ সময় উভয় গ্রুপের জলিল উদ্দিন, পচাঁ মন্ডল, আজব মন্ডল, আদেল ও আকুলসহ ৭ জন গুরুতর আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে আতিয়ার রহমান জানান, ‘আমরা সবাই মুস্তাক শিকদারের সাথে যোগদান করে নৌকা ও মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট দেয়ায় আবুল হোসেন মেম্বার হুকুম দিয়ে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাদের প্রায় ২০ ব্যক্তির বাড়িঘর ভাংচুর ও প্রায় ১ কোটি টাকার মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে আবুল হোসেন মেম্বারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আওয়ামী নেতা মুস্তাফিজুর রহমান মুস্তাক জানান, আতিয়ার রহমান তার দলের লোকজন নিয়ে আমার সাথে যোগদান করে মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট দেয়ার আপরাধে বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কয়েক দফায় হামল চালিয়ে তাদের বাড়িঘর ভাংচুর ও মালামাল লুটপাট করেছে।

এ ব্যাপারে ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বিশ্বাস বলেন, আমার দলের লোকজনের উপর তারা হামলা করলে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় গ্রুপের কিছু বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও লুটপাটসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়।

এ ঘটনায় নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা আরিফ রেজা মুন্নু জানান, আমার মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট দেয়ার কারণে তাদের উপর মতিয়ার রহমান চেয়ারম্যানের সমর্থকরা হামলা চালিয়ে বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও মালামাল লুটপাট করে নিয়ে গেছে বলে শুনেছি। আমি সেখানে যাচ্ছি পরিদর্শন করে বিস্তারিত বলতে পারবো।

এ ব্যাপারে শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, আমি বাড়ি-ঘর ভাঙচুরের ঘটনা শুনে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করেছি। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে মামলা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আওয়ামীলীগ নেতাকে ভোট না দেওয়ায় ২০ বাড়িঘর ভাংচুর-লুটপাট, আহত ৭

আপডেট সময় ০৪:০২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪

শৈলকুপার বন্দেখালী গ্রামে দোয়াত কলম মার্কায় ভোট না দিয়ে মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট দেয়া নিয়ে উভয় গ্রুপের ২০ বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও লুটপাটে হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় দু’গ্রুপের মধ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের বন্দেখালী গ্রামে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন মেম্বারের সাথে একই গ্রামের মাতুব্বর আওয়ামী কর্মী আতিয়ার রহমানের সামাজিকভাবে বিরোধ চলে আসছিল। তার জের ধরে আতিয়ার রহমান তার সমর্থকদের নিয়ে আওয়ামী নেতা মুস্তাফিজুর রহমান মুস্তাক শিকদারের মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট দেন। তার জের ধরে দু’গ্রুপের ২০টি বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট হয়। এ সময় উভয় গ্রুপের জলিল উদ্দিন, পচাঁ মন্ডল, আজব মন্ডল, আদেল ও আকুলসহ ৭ জন গুরুতর আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে আতিয়ার রহমান জানান, ‘আমরা সবাই মুস্তাক শিকদারের সাথে যোগদান করে নৌকা ও মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট দেয়ায় আবুল হোসেন মেম্বার হুকুম দিয়ে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাদের প্রায় ২০ ব্যক্তির বাড়িঘর ভাংচুর ও প্রায় ১ কোটি টাকার মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে আবুল হোসেন মেম্বারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আওয়ামী নেতা মুস্তাফিজুর রহমান মুস্তাক জানান, আতিয়ার রহমান তার দলের লোকজন নিয়ে আমার সাথে যোগদান করে মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট দেয়ার আপরাধে বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কয়েক দফায় হামল চালিয়ে তাদের বাড়িঘর ভাংচুর ও মালামাল লুটপাট করেছে।

এ ব্যাপারে ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বিশ্বাস বলেন, আমার দলের লোকজনের উপর তারা হামলা করলে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় গ্রুপের কিছু বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও লুটপাটসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়।

এ ঘটনায় নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা আরিফ রেজা মুন্নু জানান, আমার মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট দেয়ার কারণে তাদের উপর মতিয়ার রহমান চেয়ারম্যানের সমর্থকরা হামলা চালিয়ে বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও মালামাল লুটপাট করে নিয়ে গেছে বলে শুনেছি। আমি সেখানে যাচ্ছি পরিদর্শন করে বিস্তারিত বলতে পারবো।

এ ব্যাপারে শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, আমি বাড়ি-ঘর ভাঙচুরের ঘটনা শুনে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করেছি। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে মামলা নেয়া হবে।