ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এবার ছেলের কারণে দলীয় পদ হারালেন বাবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:-
  • আপডেট সময় ১১:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪
  • / ১৯ বার পড়া হয়েছে

ছেলের অপরাধে পদ হারানো বাবা।

কথায় আছে, পাপ তার বাপকেও ছাড়ে না। সম্প্রতি বাংলাদেশে এমনই কিছু ঘটনায়, বাবা-ছেলে, ছেলে-বাবা আলোচিত হয়েছেন। কিছুদিন আগে দেশে সরকারি কর্ম কমিশনের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে একজন ড্রাইভারসহ বেশ কয়েকজনের নাম উঠে আসে। এরপরই আবারও আলোচনায় বাবা-ছেলের সম্পর্ক। এবার ছেলের কুকীর্তির কারণে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার হয়েছে এক বাবা।

মাতাল হয়ে দামি বিএমডব্লিউ গাড়ি চালাচ্ছিল ছেলে মিহির। পরে মদ্যপ অবস্থায় চলন্ত একটি স্কুটিকে ধাক্কা দেন তিনি। এ ঘটনায় ৪৫ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যু হয়। আহত হন ওই নারীর স্বামী। এ ঘটনায় মিহিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ছেলের অপরাধে গ্রেপ্তার হন বাবাও। তবে শুধু গ্রেপ্তারই নয়, এবার দল থেকে বহিষ্কার করা হলো তাকে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, রোববার ভারতের মুম্বাইয়ে শিবসেনা নেতা রাজেশ শাহের ছেলে মিহির শাহের গাড়ির ধাক্কায় এক নারীর মৃত্যু হয়। এরপর পর বাবা-ছেলে দুজনকেই গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনার চারদিন পর রাজেশের দলীয় পদ স্থগিত করে শিবসেনা। বুধবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নির্দেশে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

জানা গেছে, ঘটনার পর রাজেশকে গ্রেপ্তার করা হলেও বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত। ইতোমধ্যে তার ছেলে বিএমডব্লিউকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত মিহির আটকা পড়েছে পুলিশের জালে। রাজেশ মূলত মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার নেতা ছিলেন। কিন্তু ছেলের কুকীর্তির কারণে বুধবার সেই পদ হারালেন তিনি। তবে ছেলে শুধু বাবাকেই ডোবাননি। মিহিরের কারণে তার মা ও বোনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে, দুর্ঘটনার বিষয়টি জানার পরও ছেলেকে বাঁচাতে নানা কৌশল অবলম্বন করেন রাজেশ। দীর্ঘসময় ছেলের সঙ্গে ফোনালাপও করেন তিনি। ঘটনার পরপরই চালকের সঙ্গে আসন পাল্টে নিতে ছেলেকে পরামর্শ দেন রাজেশ। যাতে সব দোষ চালকের ওপর গিয়ে পড়ে। নিজেকে বাঁচাতে চুল-দাড়ি কামিয়ে ফেলেছিলেন মিহির। তবুও শেষ রক্ষা হয়নি।

গাড়ির ধাক্কায় নারীর মৃত্যুর পর তদন্তে নামে পুলিশ। তবে অসহযোগিতার অভিযোগে রাজেশ এবং ওই গাড়ি চালককে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা গেছে, যে বিএমডব্লিউ গাড়িটি মিহির চালাচ্ছিলেন, সেটি রাজেশের নামেই নিবন্ধিত ছিল। নিজ দলের নেতার ছেলের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠার পর অস্বস্তিতে পড়ে মহারাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন দল। এ কারণেই ঘটনার চারদিনের মাথায় তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এবার ছেলের কারণে দলীয় পদ হারালেন বাবা

আপডেট সময় ১১:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪

কথায় আছে, পাপ তার বাপকেও ছাড়ে না। সম্প্রতি বাংলাদেশে এমনই কিছু ঘটনায়, বাবা-ছেলে, ছেলে-বাবা আলোচিত হয়েছেন। কিছুদিন আগে দেশে সরকারি কর্ম কমিশনের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে একজন ড্রাইভারসহ বেশ কয়েকজনের নাম উঠে আসে। এরপরই আবারও আলোচনায় বাবা-ছেলের সম্পর্ক। এবার ছেলের কুকীর্তির কারণে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার হয়েছে এক বাবা।

মাতাল হয়ে দামি বিএমডব্লিউ গাড়ি চালাচ্ছিল ছেলে মিহির। পরে মদ্যপ অবস্থায় চলন্ত একটি স্কুটিকে ধাক্কা দেন তিনি। এ ঘটনায় ৪৫ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যু হয়। আহত হন ওই নারীর স্বামী। এ ঘটনায় মিহিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ছেলের অপরাধে গ্রেপ্তার হন বাবাও। তবে শুধু গ্রেপ্তারই নয়, এবার দল থেকে বহিষ্কার করা হলো তাকে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, রোববার ভারতের মুম্বাইয়ে শিবসেনা নেতা রাজেশ শাহের ছেলে মিহির শাহের গাড়ির ধাক্কায় এক নারীর মৃত্যু হয়। এরপর পর বাবা-ছেলে দুজনকেই গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনার চারদিন পর রাজেশের দলীয় পদ স্থগিত করে শিবসেনা। বুধবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নির্দেশে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

জানা গেছে, ঘটনার পর রাজেশকে গ্রেপ্তার করা হলেও বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত। ইতোমধ্যে তার ছেলে বিএমডব্লিউকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত মিহির আটকা পড়েছে পুলিশের জালে। রাজেশ মূলত মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার নেতা ছিলেন। কিন্তু ছেলের কুকীর্তির কারণে বুধবার সেই পদ হারালেন তিনি। তবে ছেলে শুধু বাবাকেই ডোবাননি। মিহিরের কারণে তার মা ও বোনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে, দুর্ঘটনার বিষয়টি জানার পরও ছেলেকে বাঁচাতে নানা কৌশল অবলম্বন করেন রাজেশ। দীর্ঘসময় ছেলের সঙ্গে ফোনালাপও করেন তিনি। ঘটনার পরপরই চালকের সঙ্গে আসন পাল্টে নিতে ছেলেকে পরামর্শ দেন রাজেশ। যাতে সব দোষ চালকের ওপর গিয়ে পড়ে। নিজেকে বাঁচাতে চুল-দাড়ি কামিয়ে ফেলেছিলেন মিহির। তবুও শেষ রক্ষা হয়নি।

গাড়ির ধাক্কায় নারীর মৃত্যুর পর তদন্তে নামে পুলিশ। তবে অসহযোগিতার অভিযোগে রাজেশ এবং ওই গাড়ি চালককে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা গেছে, যে বিএমডব্লিউ গাড়িটি মিহির চালাচ্ছিলেন, সেটি রাজেশের নামেই নিবন্ধিত ছিল। নিজ দলের নেতার ছেলের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠার পর অস্বস্তিতে পড়ে মহারাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন দল। এ কারণেই ঘটনার চারদিনের মাথায় তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।