ঢাকা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘র’ জঙ্গি তালিকা করে ডিজিএফআইয়ের কাছে দিত: সাবেক সেনাপ্রধান

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:০০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২৩ বার পড়া হয়েছে

সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেছেন, ‘র’ এর কিছু ব্যক্তি জঙ্গি তালিকা করে ডিজিএফআইয়ের কাছে দিত। তিনি বলেন, আমি শুনেছি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকের ছত্রছায়ায় ‘র’ এর কিছু ব্যক্তি ডিজিএফআই অফিসে যাতায়াত করত। সেখানে ৭টি মিটিং রুমের মধ্যে একটিতে তাদের কাজ করতে দেয়া হতো।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া সাক্ষ্যে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া এ কথাগুলো বলেছেন।

এ সময় তিনি র‌্যাব ও ডিজিএফআই বিলুপ্তির দাবিও জানান। ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, র‌্যাব অবিলম্বে বিলুপ্তি করা দরকার, সেটি সম্ভব না হলে সামরিক সদস্যদের সামরিক বাহিনীতে ফিরিয়ে আনা উচিত। আয়নাঘরের মতো অপসংস্কৃতির জন্ম দেয়ার পর ডিজিএফআই বৈধতা হারিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন ইকবাল করিম ভূঁইয়া।

এদিকে র‌্যাবের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, র‌্যাব যাদের হত্যা করত পেট চিরে নাড়িভুড়ি বের করে ইট-পাথে বেঁধে নদীতে ডুবিয়ে দিত।

সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার যে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে উঠেছে, সে বিষয়ে সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, অনেকেই মনে করছেন আমি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। তবে, আমরা যতই অস্বীকার করি না কেন সেনাবাহিনী কলুষিত হয়েছে। আত্মশুদ্ধির যে সুযোগ এসেছে তা হারানো ঠিক হবে না।

এর আগে দ্বিতীয় দিনের মতো জিয়াউল আহসানের গুমের মামলায় ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। পরবর্তী জেরা ১৮ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘র’ জঙ্গি তালিকা করে ডিজিএফআইয়ের কাছে দিত: সাবেক সেনাপ্রধান

আপডেট সময় ০৭:০০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেছেন, ‘র’ এর কিছু ব্যক্তি জঙ্গি তালিকা করে ডিজিএফআইয়ের কাছে দিত। তিনি বলেন, আমি শুনেছি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকের ছত্রছায়ায় ‘র’ এর কিছু ব্যক্তি ডিজিএফআই অফিসে যাতায়াত করত। সেখানে ৭টি মিটিং রুমের মধ্যে একটিতে তাদের কাজ করতে দেয়া হতো।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া সাক্ষ্যে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া এ কথাগুলো বলেছেন।

এ সময় তিনি র‌্যাব ও ডিজিএফআই বিলুপ্তির দাবিও জানান। ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, র‌্যাব অবিলম্বে বিলুপ্তি করা দরকার, সেটি সম্ভব না হলে সামরিক সদস্যদের সামরিক বাহিনীতে ফিরিয়ে আনা উচিত। আয়নাঘরের মতো অপসংস্কৃতির জন্ম দেয়ার পর ডিজিএফআই বৈধতা হারিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন ইকবাল করিম ভূঁইয়া।

এদিকে র‌্যাবের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, র‌্যাব যাদের হত্যা করত পেট চিরে নাড়িভুড়ি বের করে ইট-পাথে বেঁধে নদীতে ডুবিয়ে দিত।

সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার যে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে উঠেছে, সে বিষয়ে সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, অনেকেই মনে করছেন আমি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। তবে, আমরা যতই অস্বীকার করি না কেন সেনাবাহিনী কলুষিত হয়েছে। আত্মশুদ্ধির যে সুযোগ এসেছে তা হারানো ঠিক হবে না।

এর আগে দ্বিতীয় দিনের মতো জিয়াউল আহসানের গুমের মামলায় ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। পরবর্তী জেরা ১৮ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।