ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরীক্ষায় নকল ধরায় শিক্ষককে মারধর, মামলা দায়ের

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • / ৩১ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের পরীক্ষায় নকল ধরায় একজন শিক্ষককে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সোহেল রানা বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় শরীফুল ইসলাম ও মো. রাসেল মিয়া সহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ছয়-সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও কলেজ সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন এলএলবি শেষ বর্ষের পরীক্ষা চলাকালীন শিক্ষক সোহেল রানা নকলসহ ওই দুই শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করেন। বিষয়টি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কমিটিকে জানালে তারা হলে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে এবং হল থেকে বের হওয়ার সময় দেখা নেওয়ার হুমকি দেয়। পরে শিক্ষক অন্য সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার চেষ্টা করলে দুই শিক্ষার্থী সহ কয়েকজন তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। শিক্ষককে অন্য শিক্ষক ও কর্মচারীরা উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

কলেজ প্রশাসন ঘটনাস্থলে দুই পরীক্ষার্থীকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার করেছে। পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনও বিষয়টি অবগত আছেন এবং ঘটনার তদারকি করছেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষক সোহেল রানা বলেন, ‘নকল ধরা ছাড়া আমাদের দায়িত্ব শেষ নয়, শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করা নিশ্চিতে আমরা সচেতন থাকি। এ ধরনের আক্রমণ মেনে নেওয়া যায় না।’

এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর আমরা তদন্ত করছি। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত ওই ছাত্রদের ছাত্রত্ব আজীবনের জন্য বাতিল করা হবে।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

পরীক্ষায় নকল ধরায় শিক্ষককে মারধর, মামলা দায়ের

আপডেট সময় ০১:৪৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের পরীক্ষায় নকল ধরায় একজন শিক্ষককে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সোহেল রানা বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় শরীফুল ইসলাম ও মো. রাসেল মিয়া সহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ছয়-সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও কলেজ সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন এলএলবি শেষ বর্ষের পরীক্ষা চলাকালীন শিক্ষক সোহেল রানা নকলসহ ওই দুই শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করেন। বিষয়টি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কমিটিকে জানালে তারা হলে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে এবং হল থেকে বের হওয়ার সময় দেখা নেওয়ার হুমকি দেয়। পরে শিক্ষক অন্য সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার চেষ্টা করলে দুই শিক্ষার্থী সহ কয়েকজন তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। শিক্ষককে অন্য শিক্ষক ও কর্মচারীরা উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

কলেজ প্রশাসন ঘটনাস্থলে দুই পরীক্ষার্থীকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার করেছে। পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনও বিষয়টি অবগত আছেন এবং ঘটনার তদারকি করছেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষক সোহেল রানা বলেন, ‘নকল ধরা ছাড়া আমাদের দায়িত্ব শেষ নয়, শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করা নিশ্চিতে আমরা সচেতন থাকি। এ ধরনের আক্রমণ মেনে নেওয়া যায় না।’

এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর আমরা তদন্ত করছি। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত ওই ছাত্রদের ছাত্রত্ব আজীবনের জন্য বাতিল করা হবে।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি।’