দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ খারিজ, বিএনপির জীবা আমিনার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা
- আপডেট সময় ০১:২৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
- / ২৮ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জীবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের করা অভিযোগ খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশনে জীবা আমিনার বিরুদ্ধে অভিযোগকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার হারুন আর রশিদ এই তথ্য জানায়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি জীবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব, হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপন এবং একাধিক ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলার অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল।
ঢাকার বনানীর বাসিন্দা নাদিম মাহমুদ ও মাসুদ মৃধা নামে দুজন পৃথক অভিযোগ দায়ের করেন। এর মধ্যে মাসুদ মৃধার পক্ষে কমিশনে অভিযোগ দাখিল করে রিসিভ কপি সংগ্রহ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হোসনে আরা।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২ অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করা অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়, জীবা আমিনা খান বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। অভিযোগকারীর মতে, সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা হারান।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থী তার নির্বাচনি হলফনামায় স্থাবর সম্পদের পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেননি। অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী, রাজধানীর গুলশান এলাকায় ১০৮নম্বর রোডের একটি প্লটে তার নামে মোট সাতটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি ফ্ল্যাটের হোল্ডিং ট্যাক্স দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া রয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৩২ লাখ টাকার বেশি।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব সম্পদের তথ্য হলফনামায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, যা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি কোম্পানির রেকর্ড উল্লেখ করা হয়েছে, জীবা আমিনা খানকে পরিচালক হিসেবে দেখানো হয়। কোম্পানিটি পরবর্তীতে বিলুপ্ত হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। তার জাতীয়তা, বসবাস এবং ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জেবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বাইগ্যামি, জালিয়াতি, পারিবারিক বিরোধ, সন্তানের অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত মামলা এবং সশস্ত্র হামলার অভিযোগ। তবে এসব মামলার কোনোটিরই চূড়ান্ত নিষ্পত্তি বা রায়ের বিষয়ে অভিযোগপত্রে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।





















