চট্টগ্রামে পুলিশি বাধায় পণ্ড শিক্ষার্থীদের গ্রাফিতি আঁকা কর্মসূচি
- আপডেট সময় ০৬:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
- / ১০ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রামে পুলিশি বাধায় পণ্ড হয়ে গেছে শিক্ষার্থীদের জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি আঁকা কর্মসূচি। দুপুর ১ টার পর টাইগারপাস মোড়ে ১৫ থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী রং তুলি নিয়ে গ্রাফিতি আঁকার চেষ্টা করে এসময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। পুলিশি বাধার মুখে গ্রাফিতি আকতে না পেরে ক্ষোভ জানান তারা।
এর আগে জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি মুছে ফেলাকে কেন্দ্র করে রোববার বিকেল থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে চট্টগ্রামে। গভির রাত পর্যন্ত মুখোমুখি অবস্থান নেয় বিএনপি ও এনসিপি’র নেতাকর্মীরা।
সকালে লালখান বাজার থেকে টাইগারপাস পর্যন্ত গ্রাফিতি আঁকা কর্মসূচি ঘোষণা করে দুই পক্ষ। অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে রাতেই জিইসি মোড় থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। সকাল থেকে পুরো এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সকালে বিএনপির পক্ষ থেকে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাৎ হোসেন ও এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগরের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রিদোয়ান হৃদয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে গ্রাফিতি আঁকা কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করে।
কিন্তু দুপুর ১ টার দিকে স্কুল ও কলেজের পোষাক পড়া একদল ছেলে মেয়ে রং তুলি নিয়ে টাইগারপাস মোড়ে জরো হয়। তারা নিজেদের সাধারণ শিক্ষার্থী দাবি করে বিভিন্ন দেয়ালে গ্রাফিতি আঁকার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। পুলিশের বাধায় মুখে গ্রাফিতি আঁকতে না পেরে ক্ষোভ জানান তারা। বলেন জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি মুছে ফেলার মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনকে সাধারণ মানুষের মন থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা করছে সিটি কর্পোরেশন। জুলাই যোদ্ধা হিসেবে নতুন প্রজন্মের ছেলেমেদের ঘরে বসে থাকার উপায় নেই। তাই এনসিপির বা ছাত্রদলের ডাকে নয় বিবেকের তারনা থেকে নতুন করে গ্রাফিতি আঁকতে এসেছেন তারা।
টাইগারপাসে গ্রাফিতি আঁকার ক্ষেত্রে বাধার বিষয়ে নগর পুলিশের (দক্ষিণ) উপ-পুলিশ কমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া আমার দেশকে বলেন, জিইসি মোড় থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এই এলাকার মধ্যে কোন ধরনের জমায়েত করা যাবে না। দুপুরের দিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী গ্রাফিতি আঁকার চেষ্টা করে। ওই সময় মহিলা পুলিশের সদস্যরা তাদের পরিচয় জানতে গেলে পুলিশের দিকে রং ছুড়ে মারে। এসময় কিছুটা কথা কাটাকাটি হয়েছে। সেখানে কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রতিকর ঘটনা ঘটেনি।



















