ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
জমি নিয়ে বিরোধ

বিএনপি নেতার হামলা থেকে বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে জামায়াত নেতার মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:১৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • / ২৭ বার পড়া হয়েছে
বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপির নেতার হামলা থেকে নিজের বাবাকে গিয়ে মারধরে নিহত হয়েছেন জামায়াত নেতা। শনিবার (৪ জুন) দিবাগত রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ওই জামায়াত নেতার নাম সম্রাট হোসেন বাপ্পা (৪১)। তিনি বগুড়ার দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সহসভাপতি। তিনি উপজেলার ভেলুরচক গ্রামের রফিক আকন্দের ছেলে। আর অভিযুক্ত আব্দুল করিম আকন্দ স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভেলুরচক গ্রামের রফিক আকন্দের সঙ্গে তাঁর ছোট ভাই আব্দুল করিম আকন্দের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ২৫ জুন দুপুরে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, আব্দুল করিম আকন্দ তাঁর লোকজন নিয়ে বড় ভাই রফিক আকন্দের ওপর হামলা করেন। বাবাকে রক্ষা করতে গেলে সম্রাট হোসেন বাপ্পাও মারধরের শিকার হন। এ ঘটনায় রফিক আকন্দ ও তাঁর স্ত্রী জোসনা বেগমও আহত হন। তাঁদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সম্রাটের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় সম্রাটের মা জোসনা বেগম বাদী হয়ে ২৭ জুন দুপচাঁচিয়া থানায় আব্দুল করিম আকন্দসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার পর গত বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) রাতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার দাড়ালকুল গ্রাম থেকে আব্দুল করিম আকন্দ ও তাঁর স্ত্রী মিথিলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার আব্দুল করিম আকন্দ ভেলুরচক গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
দুপঁচাচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজমিলুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সম্রাটের মৃত্যু হয়। একই পরিবারের দুই ভাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক পরিচয় ভিন্ন একজন বিএনপি, অন্যজন জামায়াত। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে একজন আহত হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার তদন্ত চলছে।’
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

জমি নিয়ে বিরোধ

বিএনপি নেতার হামলা থেকে বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে জামায়াত নেতার মৃত্যু

আপডেট সময় ০৬:১৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপির নেতার হামলা থেকে নিজের বাবাকে গিয়ে মারধরে নিহত হয়েছেন জামায়াত নেতা। শনিবার (৪ জুন) দিবাগত রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ওই জামায়াত নেতার নাম সম্রাট হোসেন বাপ্পা (৪১)। তিনি বগুড়ার দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সহসভাপতি। তিনি উপজেলার ভেলুরচক গ্রামের রফিক আকন্দের ছেলে। আর অভিযুক্ত আব্দুল করিম আকন্দ স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভেলুরচক গ্রামের রফিক আকন্দের সঙ্গে তাঁর ছোট ভাই আব্দুল করিম আকন্দের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ২৫ জুন দুপুরে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, আব্দুল করিম আকন্দ তাঁর লোকজন নিয়ে বড় ভাই রফিক আকন্দের ওপর হামলা করেন। বাবাকে রক্ষা করতে গেলে সম্রাট হোসেন বাপ্পাও মারধরের শিকার হন। এ ঘটনায় রফিক আকন্দ ও তাঁর স্ত্রী জোসনা বেগমও আহত হন। তাঁদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সম্রাটের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় সম্রাটের মা জোসনা বেগম বাদী হয়ে ২৭ জুন দুপচাঁচিয়া থানায় আব্দুল করিম আকন্দসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার পর গত বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) রাতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার দাড়ালকুল গ্রাম থেকে আব্দুল করিম আকন্দ ও তাঁর স্ত্রী মিথিলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার আব্দুল করিম আকন্দ ভেলুরচক গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
দুপঁচাচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজমিলুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সম্রাটের মৃত্যু হয়। একই পরিবারের দুই ভাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক পরিচয় ভিন্ন একজন বিএনপি, অন্যজন জামায়াত। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে একজন আহত হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার তদন্ত চলছে।’