ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্যার ত্রাণ গেল দলীয় নেতাকর্মীদের পকেটে বিএনপির ২ নেতার দ্বন্দ্বে ফাঁস হলো চাঞ্চল্যকর অনিয়ম

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৯:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • / ৩০ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর এলাকায় বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত ত্রাণ বিতরণকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। ত্রাণের ৫০০ প্যাকেটের মধ্যে ২০০ প্যাকেট বিতরণে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে মতবিরোধের বিষয়টিও সামনে এসেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবারের (১৭ জুলাই) ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে মোট ৫০০টি ত্রাণের প্যাকেট বরাদ্দ ছিল। এর মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যৌথভাবে ওয়ার্ডভিত্তিক তালিকা অনুযায়ী ৩০০ জনের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। ওই ৩০০টি ত্রাণ কার্ডে উভয়ের স্বাক্ষর ছিল।

তবে সাধারণ সম্পাদকের দাবি, অবশিষ্ট ২০০টি ত্রাণ কার্ড সভাপতি এককভাবে নিজের অনুসারীদের মধ্যে বিতরণ করেছেন। এসব কার্ডে কেবল সভাপতির স্বাক্ষর ছিল এবং সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি। এর ফলে দলের তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী ও প্রকৃত বন্যাদুর্গত পরিবার ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ত্রাণ না পেয়ে অনেক অসহায় নারী-পুরুষ হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, বরাদ্দকৃত ৫০০টি ত্রাণ প্যাকেটের মধ্যে বিতরণকৃত ২০০টি প্যাকেট কারা পেয়েছেন, সেই তালিকা প্রকাশ করা হোক। পাশাপাশি বিষয়টি উপজেলা বিএনপি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য স্থানীয় বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া দেননি তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

বন্যার ত্রাণ গেল দলীয় নেতাকর্মীদের পকেটে বিএনপির ২ নেতার দ্বন্দ্বে ফাঁস হলো চাঞ্চল্যকর অনিয়ম

আপডেট সময় ০৯:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর এলাকায় বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত ত্রাণ বিতরণকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। ত্রাণের ৫০০ প্যাকেটের মধ্যে ২০০ প্যাকেট বিতরণে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে মতবিরোধের বিষয়টিও সামনে এসেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবারের (১৭ জুলাই) ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে মোট ৫০০টি ত্রাণের প্যাকেট বরাদ্দ ছিল। এর মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যৌথভাবে ওয়ার্ডভিত্তিক তালিকা অনুযায়ী ৩০০ জনের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। ওই ৩০০টি ত্রাণ কার্ডে উভয়ের স্বাক্ষর ছিল।

তবে সাধারণ সম্পাদকের দাবি, অবশিষ্ট ২০০টি ত্রাণ কার্ড সভাপতি এককভাবে নিজের অনুসারীদের মধ্যে বিতরণ করেছেন। এসব কার্ডে কেবল সভাপতির স্বাক্ষর ছিল এবং সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি। এর ফলে দলের তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী ও প্রকৃত বন্যাদুর্গত পরিবার ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ত্রাণ না পেয়ে অনেক অসহায় নারী-পুরুষ হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, বরাদ্দকৃত ৫০০টি ত্রাণ প্যাকেটের মধ্যে বিতরণকৃত ২০০টি প্যাকেট কারা পেয়েছেন, সেই তালিকা প্রকাশ করা হোক। পাশাপাশি বিষয়টি উপজেলা বিএনপি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য স্থানীয় বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া দেননি তারা।