ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্রলীগের সঙ্গে পুলিশের আঁতাত

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৪:৩৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৩৩ বার পড়া হয়েছে

নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে পুলিশের আঁতাতের অভিযোগ তুলে ফেনী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

সোমবার (৩ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশের নীরব ভূমিকা ও সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত ফেনী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নোমান হাবিব এক মাসেরও বেশি সময় ধরে জেলায় অবস্থান করছেন। এমনকি সম্প্রতি তিনি প্রকাশ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মিছিল করলেও পুলিশ তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন ভূমিকায় সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে জুলাই যোদ্ধা মোহাইমিন তাজিম বলেন, ‘নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াবেন, মিছিল করবেন, আর পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করবে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দ্রুত তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় জুলাই যোদ্ধারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।’

কর্মসূচি চলাকালে ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার ঘটনাস্থলে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং নোমান হাবিবসহ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে বলে আশ্বাস দেন।

পুলিশ সুপারের এ আশ্বাসের পর অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করেন আন্দোলনকারীরা। তবে তারা হুঁশিয়ারি দেন, দ্রুত দৃশ্যমান আইনি পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ছাত্রলীগের সঙ্গে পুলিশের আঁতাত

আপডেট সময় ০৪:৩৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে পুলিশের আঁতাতের অভিযোগ তুলে ফেনী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

সোমবার (৩ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশের নীরব ভূমিকা ও সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত ফেনী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নোমান হাবিব এক মাসেরও বেশি সময় ধরে জেলায় অবস্থান করছেন। এমনকি সম্প্রতি তিনি প্রকাশ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মিছিল করলেও পুলিশ তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন ভূমিকায় সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে জুলাই যোদ্ধা মোহাইমিন তাজিম বলেন, ‘নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াবেন, মিছিল করবেন, আর পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করবে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দ্রুত তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় জুলাই যোদ্ধারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।’

কর্মসূচি চলাকালে ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার ঘটনাস্থলে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং নোমান হাবিবসহ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে বলে আশ্বাস দেন।

পুলিশ সুপারের এ আশ্বাসের পর অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করেন আন্দোলনকারীরা। তবে তারা হুঁশিয়ারি দেন, দ্রুত দৃশ্যমান আইনি পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।