ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৪৭ মাথার খুলি উদ্ধারের রহস্য উদ্‌ঘাটন

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০১:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / ২৬ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে ৪৭টি মাথার খুলি ও বিপুল মানবদেহের হাড় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় কঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইবনে মিজান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কাজী জহরুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, আসাদুল্লাহ। এরমধ্যে কাজী জহরুল ইসলাম সাপ্পোরো ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের ছাত্র।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মোহাম্মদ ইবনে মিজান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি রাজধানীর মনিপুরী পাড়ার একটি জায়গায় রাত ২টার দিকে মানবদেহের কঙ্কাল কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে এবং সেটিকে প্রসেস করে বিক্রির চেষ্টা চলছে। আমাদের একটি টিম দ্রুত সেখানে গিয়ে কঙ্কালসহ কাজী জহরুল ইসলামকে আটক করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যে তেজগাঁ কলেজের সামনে থেকে আজাদ ও আসাদুলকে আটক করা হয়।

তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে তাদের কাছে আরও অনেক কঙ্কাল রয়েছে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যে সাপ্পোরো ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যাম্পাসের পাশে একটি জায়গা থেকে মোট ৪৭টি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, তাদের মূলহোতা ফয়সল, সে দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অনলাইনে তাদের একটি বড় গ্রুপ রয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে তারা কঙ্কাল ছুরি ও বিক্রির সঙ্গে যুক্ত। তারা মাঠ পর্যায় থেকে এসব কঙ্কাল ছয় থেকে আট হাজার টাকায় কেনে। এরপর ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করে। তাদের ক্রেতা বেশিরভাগ মেডিকেল স্টুডেন্ট।

মোহাম্মদ ইবনে মিজান বলেন, এটি একটি সংঘবদ্ধ চক্র এবং তারা হয়তো এটি দেশব্যাপী পরিচালনা করে আসছে। এই চক্রে আরও যারা বাহিরে রয়েছে তাদের আইনের আওয়াত আনার চেষ্টা করব।

নিউজটি শেয়ার করুন

৪৭ মাথার খুলি উদ্ধারের রহস্য উদ্‌ঘাটন

আপডেট সময় ০১:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে ৪৭টি মাথার খুলি ও বিপুল মানবদেহের হাড় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় কঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইবনে মিজান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কাজী জহরুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, আসাদুল্লাহ। এরমধ্যে কাজী জহরুল ইসলাম সাপ্পোরো ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের ছাত্র।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মোহাম্মদ ইবনে মিজান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি রাজধানীর মনিপুরী পাড়ার একটি জায়গায় রাত ২টার দিকে মানবদেহের কঙ্কাল কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে এবং সেটিকে প্রসেস করে বিক্রির চেষ্টা চলছে। আমাদের একটি টিম দ্রুত সেখানে গিয়ে কঙ্কালসহ কাজী জহরুল ইসলামকে আটক করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যে তেজগাঁ কলেজের সামনে থেকে আজাদ ও আসাদুলকে আটক করা হয়।

তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে তাদের কাছে আরও অনেক কঙ্কাল রয়েছে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যে সাপ্পোরো ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যাম্পাসের পাশে একটি জায়গা থেকে মোট ৪৭টি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, তাদের মূলহোতা ফয়সল, সে দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অনলাইনে তাদের একটি বড় গ্রুপ রয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে তারা কঙ্কাল ছুরি ও বিক্রির সঙ্গে যুক্ত। তারা মাঠ পর্যায় থেকে এসব কঙ্কাল ছয় থেকে আট হাজার টাকায় কেনে। এরপর ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করে। তাদের ক্রেতা বেশিরভাগ মেডিকেল স্টুডেন্ট।

মোহাম্মদ ইবনে মিজান বলেন, এটি একটি সংঘবদ্ধ চক্র এবং তারা হয়তো এটি দেশব্যাপী পরিচালনা করে আসছে। এই চক্রে আরও যারা বাহিরে রয়েছে তাদের আইনের আওয়াত আনার চেষ্টা করব।