তারেক রহমানের কোমর ভেঙে দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করলেন মাসুদ
- আপডেট সময় ০৮:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
- / ৩৭ বার পড়া হয়েছে
মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর রিমান্ড শুনানি ঘিরে আদালতে উঠে এলো ২০০৭ সালের ‘ওয়ান/ইলেভেন’ সময়কার নানা বিতর্কিত প্রসঙ্গ।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ বলেছে, সেই সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ‘ঝুলিয়ে-পিটিয়ে কোমরের হাড় ভেঙে দেওয়ার’ কারিগরদের একজন এই মাসুদ উদ্দিন। এসময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা আসামি মাসুদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালতে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ তারেক রহমানকে নির্যাতনের ঘটনায়ও মাসুদ উদ্দিনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনলে তা অস্বীকার করে অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।
এর আগ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির মিরপুর বিভাগের এসআই কফিল উদ্দিন মিরপুর মডেল থানায় দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় আসামি মাসুদকে আদালতে হাজির করেন। এ মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তিনি।
এদিন শুনানিতে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, আসামি ১/১১ এর একজন কুশীলব। তারেক রহমানকে পিটিয়ে কোমড় ভেঙে দিয়েছেন। তখন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলে উঠেন ‘এটা মিথ্যা’। ডিফেন্সের লোক হওয়ায় তারা রিমান্ডে ভাসাভাসা তথ্য দিচ্ছে। আওয়ামী সময়ের সব গুম-খুমের কারিগর তারা। আস্তে আস্তে তথ্য আশা শুরু করেছে। সুতরাং পূর্ণাঙ্গ তথ্য পেতে তাকে আবার রিমান্ডে নেয়া প্রয়োজন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম সজীব রিমান্ড বাতিল চেয়ে বলেন, আসামি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। এ মামলায় দু’দফায় আট দিনের রিমান্ডে নেয় হয়েছে। কি পেলেন তদন্ত কর্মকর্তা তা কিন্তু উল্লেখ করেনি।১৫ দিন তিনি চিকিৎসায় ছিল। জোর করে তাকে হাসপাতাল থেকে আনা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালতের দয়া চাচ্ছি যেনো তার অসুস্থতা বিবেচনা করে তার রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুরের দাবি করছি।
উভয় পক্ষে শুনানি শেষে এ মামলায় মাসুদ উদ্দিনকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন আদালত।
গত ২৩ মার্চ রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন অবসরপ্রাপ্ত এ লেফটেন্যান্ট জেনারেল। পরে তাকে ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারসংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং একাধিক বার রিমান্ডে নেওয়া হয়। সর্বশেষ ৭ এপ্রিল মিরপুরের দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় তাকে নতুন করে রিমান্ডে পাঠানো হয়।




















