ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটি টাকার ভারতীয় জিরাসহ ২ চোরাকারবারি আটক

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০২:২২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / ১৯ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা চত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক কোটি এক লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় জিরা ভর্তি ট্রাকসহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবি’।

আটককৃতরা হলো সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার খারোবিল গ্রামের মো. সেলিম মিয়া (৩১) এবং একই উপজেলার ২নং লক্ষীপুর গ্রামের মো. আজমল হোসেন (২০)।

বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) এর একটি আভিযানিক দল রবিবার রাতে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা চত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি ট্রাক আটক করে ৬ হাজার কেজি (২০০ বস্তা) ভারতীয় জিরা উদ্ধার করা হয়।

জব্দকৃত জিরা, ট্রাক এবং আটক দুইজনকে মাধবপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে.কর্ণেল তানজিলুর রহমান জানান-দেশের অর্থনীতি সুরক্ষা এবং চোরাচালান দমনে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি আরো জোরদার করার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কোটি টাকার ভারতীয় জিরাসহ ২ চোরাকারবারি আটক

আপডেট সময় ০২:২২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা চত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক কোটি এক লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় জিরা ভর্তি ট্রাকসহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবি’।

আটককৃতরা হলো সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার খারোবিল গ্রামের মো. সেলিম মিয়া (৩১) এবং একই উপজেলার ২নং লক্ষীপুর গ্রামের মো. আজমল হোসেন (২০)।

বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) এর একটি আভিযানিক দল রবিবার রাতে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা চত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি ট্রাক আটক করে ৬ হাজার কেজি (২০০ বস্তা) ভারতীয় জিরা উদ্ধার করা হয়।

জব্দকৃত জিরা, ট্রাক এবং আটক দুইজনকে মাধবপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে.কর্ণেল তানজিলুর রহমান জানান-দেশের অর্থনীতি সুরক্ষা এবং চোরাচালান দমনে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি আরো জোরদার করার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।