এবার বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হলেন আরবির অধ্যাপক
- আপডেট সময় ০৯:০৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
- / ৩৮ বার পড়া হয়েছে
পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছবিরুল ইসলাম হাওলাদারকে নিয়োগ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকেন্দ্রিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারণত ‘বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ’ অভিজ্ঞ শিক্ষকদের ভিসি পদে নিয়োগ দেওয়ার রীতি থাকলেও তিনি নিয়োগ পেলেন ভাষা ও সাহিত্যের ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়টির আইনে এ ধরনের কোনো বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়নি। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে।
আজ সোমবার (৮ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন।
এতে বলা হয়েছে, ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, আইন ২০২২-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী ড. মোহাম্মদ ছবিরুল ইসলাম হাওলাদারকে পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।’
এক্ষেত্রে আরোপিত শর্তগুলো হলো— উপাচার্য পদে তার নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ হতে ৪ বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখ, এর মধ্যে যা পূর্বে ঘটে সেই সময় পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন; এ পদে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতনভাতা পাবেন; তিনি বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন; বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন; এবং রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সভাপতি থাকাকালে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছবিরুল ইসলাম হাওলাদারের বিরুদ্ধে অনাস্থা জ্ঞাপন করেন অপর ২১ শিক্ষক। ওই বছরের ২০ নভেম্বর ২২ জন শিক্ষকের মধ্যে ওই ২১ জনই স্বাক্ষরিত পত্রে অনাস্থা, আর্থিক, প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর অভিযোগ দেন। পরে তাকে বিভাগের সভাপতির পদ থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি প্রদান করা হয় এবং বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক মো. জাহিদুল ইসলামকে সাময়িকভাবে বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এ ছাড়া ওই বছরের ১০ ডিসেম্বর অ্যাকাডেমিক, প্রশাসনিক ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটির কার্যক্রম চলাকালীন ওই বিভাগের যাবতীয় অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে তাকে অব্যাহতিও দেওয়া হয়।
এদিকে পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০২২-এর ১০(১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘আচার্য তার দ্বারা নির্ধারিত শর্তে স্বনামধন্য একজন শিক্ষাবিদকে ৪ বছরের মেয়াদের জন্য উপাচার্য পদে নিয়োগ করবেন।’
























