ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কঠিন হলেও চুক্তি বাস্তবায়নে আগ্রহী ওয়াশিংটন-তেহরান

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:২৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • / ১৭ বার পড়া হয়েছে

টানা ১৩ দিন সামরিক হামলার পর গত তিন রাত ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হামলা স্থগিত রয়েছে। সংঘাত থামিয়ে কূটনৈতিক আলোচনায় ফিরে আসা এবং সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) পেরিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোই এখন উভয় পক্ষের মূল লক্ষ্য। তবে চূড়ান্ত সেই চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রথম পদক্ষেপটি নেওয়াটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ওয়াশিংটন চায় কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি যেন দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গভাবে বাণিজ্যিক চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, তেহরান বিষয়টিকে আলোচনার টেবিলে তাদের অন্যতম বড় দর কষাকষির শক্তি বা প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে দেখছে।

অবশ্য টানা ১৩ দিনের পাল্টাপাল্টি হামলার পর আপাতত বড় ধরনের হামলা বন্ধ রয়েছে এবং দুই পক্ষই আলোচনায় যুক্ত হয়েছে। তবে পরিস্থিতি সহজ নয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন, কূটনৈতিক চেষ্টা ব্যর্থ হলে এবং শেষ পর্যন্ত চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও কঠোর সামরিক অভিযানে ফিরে যাবে। তার এই কড়া হুঁশিয়ারি পুরো আলোচনা প্রক্রিয়ার ওপর এক ধরনের অনিশ্চয়তা ও চাপ তৈরি করে রেখেছে।

তবে এটি স্পষ্ট যে, ওয়াশিংটন ও তেহরান—দুই পক্ষই শেষ পর্যন্ত একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। কিন্তু সেটি বাস্তবায়নে প্রয়োজন প্রচুর কাজ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা।

উল্লেখ্য, দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মূল উদ্দেশ্য ছিল ৬০ দিনের একটি মধ্যস্থতা পর্ব তৈরি করা, যা প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়ানো যেতে পারে। এই সময়েই আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত চুক্তির খসড়া তৈরি করার কথা। তবে বাস্তবে সেই নির্ধারিত সময়ের ঘড়ি এখনো গণনা শুরুই হয়নি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে এখনো অনেক কথা এবং সময়ের প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

কঠিন হলেও চুক্তি বাস্তবায়নে আগ্রহী ওয়াশিংটন-তেহরান

আপডেট সময় ০৮:২৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

টানা ১৩ দিন সামরিক হামলার পর গত তিন রাত ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হামলা স্থগিত রয়েছে। সংঘাত থামিয়ে কূটনৈতিক আলোচনায় ফিরে আসা এবং সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) পেরিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোই এখন উভয় পক্ষের মূল লক্ষ্য। তবে চূড়ান্ত সেই চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রথম পদক্ষেপটি নেওয়াটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ওয়াশিংটন চায় কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি যেন দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গভাবে বাণিজ্যিক চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, তেহরান বিষয়টিকে আলোচনার টেবিলে তাদের অন্যতম বড় দর কষাকষির শক্তি বা প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে দেখছে।

অবশ্য টানা ১৩ দিনের পাল্টাপাল্টি হামলার পর আপাতত বড় ধরনের হামলা বন্ধ রয়েছে এবং দুই পক্ষই আলোচনায় যুক্ত হয়েছে। তবে পরিস্থিতি সহজ নয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন, কূটনৈতিক চেষ্টা ব্যর্থ হলে এবং শেষ পর্যন্ত চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও কঠোর সামরিক অভিযানে ফিরে যাবে। তার এই কড়া হুঁশিয়ারি পুরো আলোচনা প্রক্রিয়ার ওপর এক ধরনের অনিশ্চয়তা ও চাপ তৈরি করে রেখেছে।

তবে এটি স্পষ্ট যে, ওয়াশিংটন ও তেহরান—দুই পক্ষই শেষ পর্যন্ত একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। কিন্তু সেটি বাস্তবায়নে প্রয়োজন প্রচুর কাজ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা।

উল্লেখ্য, দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মূল উদ্দেশ্য ছিল ৬০ দিনের একটি মধ্যস্থতা পর্ব তৈরি করা, যা প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়ানো যেতে পারে। এই সময়েই আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত চুক্তির খসড়া তৈরি করার কথা। তবে বাস্তবে সেই নির্ধারিত সময়ের ঘড়ি এখনো গণনা শুরুই হয়নি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে এখনো অনেক কথা এবং সময়ের প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।