টাইমস হায়ার এসডিজি র্যাঙ্কিং
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে প্রথম নোবিপ্রবি, দেশে তৃতীয়
- আপডেট সময় ০৪:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
- / ২২ বার পড়া হয়েছে
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)। বুধবার (২৪ জুন) যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা-বিষয়ক প্রতিষ্ঠান টাইমস হায়ার এডুকেশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ‘সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিংস ২০২৪’ রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এতে নোবিপ্রবি বিশ্বব্যাপী ৪০১-৬০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে। বিশ্বের ১ হাজার ৬৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নোবিপ্রবি এই অবস্থান অর্জন করেছে। একই সঙ্গে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টি সমন্বিতভাবে তৃতীয় স্থান এবং দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
এবারের সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিংসে বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, যা বৈশ্বিক তালিকায় ৮৭তম স্থান অর্জন করেছে।

প্রতিবছর টাইমস হায়ার এডুকেশন জাতিসংঘের ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং শিক্ষাদান কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এই র্যাংকিং প্রকাশ করে। এবারের সংস্করণে বিশ্বের ১১৬টি দেশের বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেয়।
র্যাংকিং অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক ডেভেলপমেন্ট সেলের অতিরিক্ত পরিচালক ও নোবিপ্রবি সাস্টেইনঅ্যাবিলিটি কমিটির সদস্য সচিব ড. ফাহদ হুসাইন বলেন, ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন (THE) ইমপ্যাক্ট র্যাংকিংয়ে এই অর্জন নোবিপ্রবির টেকসই উন্নয়ন ও প্ল্যানেটারি হেলথের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের স্বীকৃতি। শিক্ষা, গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সমাজকল্যাণে আমাদের বহুমাত্রিক উদ্যোগ এই সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করেছে। টিম লিড হিসেবে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা বিশ্বাস করি, একটি সুস্থ পৃথিবী ও টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং নোবিপ্রবি সেই দায়িত্ব পালনে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য ও র্যাংকিং সেলের প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এই অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবার। আমি চাই এই অর্জনের আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ুক।’
উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘আমি রিসার্চ সেলকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা এসডিজির প্রতিটি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পেরেছি। বাংলাদেশে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আমরা সম্মানজনক অবস্থান করতে পেরেছি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছি। সরকার ইতিমধ্যেই এসডিজি গোল অর্জনে প্রচুর কাজ করে যাচ্ছে, এই র্যাঙ্কিংয়ের ফলে আমরা সেই এসডিজি গোল অর্জন করত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।’






















