ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীর্ষ সন্ত্রাসী যুবলীগ নেতা ‘টাইগার সোহেল’ গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৪:০১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • / ৩২ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগের শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. সোহেল মিয়া ওরফে টাইগার সোহেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

‎মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে উপজেলার জিনোদপুর থেকে এসআই মো. মনির আহমেদ পুলিশের ফোর্স নিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। মো. সোহেল মিয়া জিনোদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন।

পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে নবীনগর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়াও ৫ আগস্টের পর স্থানীয় হাসান মিয়ার বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের এমপি এবাদুল করিম বুলবুলের আশ্রয়ে যুবলীগ নেতা সোহেলের নানাভাবে উত্থান হয়। এমপির প্রভাবে জিনোদপুর বাজার কমিটির সভাপতিও নির্বাচিত হয় সে।

‎স্থানীয়রা জানায়, তিনি এলাকায় মারামারি, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক, নারী কেলেঙ্কারিসহ নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িত। তিনি একসময় নিজেকে ‘টাইগার সোহেল’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া শুরু করে এবং এলাকায় মাদকের গডফাদার হিসেবে পরিচিত।

‎এ বিষয়ে নবীনগর থানার ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, ‘টাইগার সোহেল একজন যুবলীগ নেতা ও চিহ্নিত অপরাধী। তার বিরুদ্ধে মারামারি, মাদক, চাঁদাবাজি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আদালতে চালান করা হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

শীর্ষ সন্ত্রাসী যুবলীগ নেতা ‘টাইগার সোহেল’ গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৪:০১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগের শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. সোহেল মিয়া ওরফে টাইগার সোহেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

‎মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে উপজেলার জিনোদপুর থেকে এসআই মো. মনির আহমেদ পুলিশের ফোর্স নিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। মো. সোহেল মিয়া জিনোদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন।

পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে নবীনগর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়াও ৫ আগস্টের পর স্থানীয় হাসান মিয়ার বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের এমপি এবাদুল করিম বুলবুলের আশ্রয়ে যুবলীগ নেতা সোহেলের নানাভাবে উত্থান হয়। এমপির প্রভাবে জিনোদপুর বাজার কমিটির সভাপতিও নির্বাচিত হয় সে।

‎স্থানীয়রা জানায়, তিনি এলাকায় মারামারি, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক, নারী কেলেঙ্কারিসহ নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িত। তিনি একসময় নিজেকে ‘টাইগার সোহেল’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া শুরু করে এবং এলাকায় মাদকের গডফাদার হিসেবে পরিচিত।

‎এ বিষয়ে নবীনগর থানার ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, ‘টাইগার সোহেল একজন যুবলীগ নেতা ও চিহ্নিত অপরাধী। তার বিরুদ্ধে মারামারি, মাদক, চাঁদাবাজি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আদালতে চালান করা হবে।’