ঢাকা ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মসজিদের দরজা ভেঙে ইমামকে মারধর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৩ নেতাকর্মীর

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৯:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • / ২৭ বার পড়া হয়েছে

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় মসজিদের দরজা ভেঙে ইমামকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার উপজেলার গঙ্গাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তোফায়েল মেম্বার (সাবেক) বাড়ি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্তরা হলেন স্থানীয় ওয়ার্ড সভাপতি ছাত্রলীগের সভাপতি লাবিব ও কর্মী সাবনুর ও হোসেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার মসজিদের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে অভিযুক্তরা মসজিদের ইমাম আল-আমীনকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

ঘটনার প্রতিবাদ ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। সমাবেশে বক্তারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

সমাবেশে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সেলিম মেম্বার বলেন, পবিত্র মসজিদে হামলা এবং ইমামকে মারধরের ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

মসজিদ কমিটির সহসভাপতি মো. বকুল বলেন, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে তাদের বাড়িতে গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মসজিদের দরজা ভেঙে ইমামকে মারধর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৩ নেতাকর্মীর

আপডেট সময় ০৯:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় মসজিদের দরজা ভেঙে ইমামকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার উপজেলার গঙ্গাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তোফায়েল মেম্বার (সাবেক) বাড়ি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্তরা হলেন স্থানীয় ওয়ার্ড সভাপতি ছাত্রলীগের সভাপতি লাবিব ও কর্মী সাবনুর ও হোসেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার মসজিদের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে অভিযুক্তরা মসজিদের ইমাম আল-আমীনকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

ঘটনার প্রতিবাদ ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। সমাবেশে বক্তারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

সমাবেশে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সেলিম মেম্বার বলেন, পবিত্র মসজিদে হামলা এবং ইমামকে মারধরের ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

মসজিদ কমিটির সহসভাপতি মো. বকুল বলেন, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে তাদের বাড়িতে গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।