ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সার না পেয়ে গুদামের দরজা ভেঙে সারের বস্তা নিয়ে গেল বিক্ষুব্ধ কৃষকরা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৮:০৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২৫ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় সার না পেয়ে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা জোট বেঁধে একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামে হামলা চালিয়েছেন। তারা গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তায় প্রায় ১০ হাজার কেজি সার লুট করে নিয়ে গেছেন।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।

পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়ে গেছেন। অন্য বস্তাগুলো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্সের মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের দিতে গড়িমসি করেন। তার মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা সার। এর মধ্যে গুদামে মজুত ছিল ৩৪০ বস্তা সার।

রোববার সকাল থেকে তার ডিলার পয়েন্টে দুই শতাধিক কৃষক সারের জন্য জড়ো হন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর ডিলার পয়েন্ট না খোলায় কৃষকরা গুদামের দরজা ভেঙে ১৯০ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যান।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা সার। কিন্তু মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা। উত্তোলন আরও কম ছিল। ফলে কৃষকরা সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে গুদাম থেকে সার নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। ১৯৭ বস্তা সার কৃষকরা নিয়ে গেছে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন ৩৩ বস্তা ফেরত দিয়ে গেছে। অন্যগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সার না পেয়ে গুদামের দরজা ভেঙে সারের বস্তা নিয়ে গেল বিক্ষুব্ধ কৃষকরা

আপডেট সময় ০৮:০৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় সার না পেয়ে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা জোট বেঁধে একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামে হামলা চালিয়েছেন। তারা গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তায় প্রায় ১০ হাজার কেজি সার লুট করে নিয়ে গেছেন।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।

পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়ে গেছেন। অন্য বস্তাগুলো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্সের মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের দিতে গড়িমসি করেন। তার মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা সার। এর মধ্যে গুদামে মজুত ছিল ৩৪০ বস্তা সার।

রোববার সকাল থেকে তার ডিলার পয়েন্টে দুই শতাধিক কৃষক সারের জন্য জড়ো হন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর ডিলার পয়েন্ট না খোলায় কৃষকরা গুদামের দরজা ভেঙে ১৯০ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যান।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা সার। কিন্তু মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা। উত্তোলন আরও কম ছিল। ফলে কৃষকরা সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে গুদাম থেকে সার নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। ১৯৭ বস্তা সার কৃষকরা নিয়ে গেছে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন ৩৩ বস্তা ফেরত দিয়ে গেছে। অন্যগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।