ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সিরিয়া, গ্রান্ড মুফতি

সিরিয়ার সাবেক গ্র্যান্ড মুফতির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৪৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১০ বার পড়া হয়েছে

সিরিয়ার সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শেখ আহমাদ বদরুদ্দিন হাসুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শাসনামলে গৃহযুদ্ধের সময় সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে তাকে এই সাজা দেওয়া হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দামেস্কের চতুর্থ ফৌজদারি আদালত হাসুনকে সহিংসতায় উসকানি, হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন ও সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেন।

হাসুন ২০০৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার গ্র্যান্ড মুফতির দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৫ সালের মার্চে আত্মগোপন থেকে বেরিয়ে আসার পর তাকে দামেস্ক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়।

বিচারক ফাখর আল-দীন আল-আরিয়ান বলেন, হাসুন এবং তার নেতৃত্বাধীন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আসাদ সরকারের সামরিক ও নিরাপত্তা অভিযানের পক্ষে ধর্মীয় বৈধতা দেওয়ার কাজ করেছে।

আদালতের অভিযোগ, বেসামরিক এলাকায় ব্যারেল বোমা ব্যবহারের পক্ষে সাফাই দিয়েছিলেন হাসুন। একই সঙ্গে সিরীয় সেনাদের বিরোধী পক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।

হত্যাকাণ্ডে উসকানির অভিযোগে তাকে আলাদাভাবে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং হত্যাকাণ্ড দীর্ঘায়িত করার অভিযোগে আরও ১০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকজন ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।

অপরাধের গুরুতরতার কারণে হাসুন কোনো সাধারণ বা বিশেষ ক্ষমার সুযোগ পাবেন না বলেও আদালত জানিয়েছে। তার অর্থ-সম্পদ ও সম্পত্তি রাষ্ট্রের মালিকানায় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি ভুক্তভোগীদের অধিকার রক্ষাকে ‘পবিত্র দায়িত্ব’ বলে উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সিরিয়া, গ্রান্ড মুফতি

সিরিয়ার সাবেক গ্র্যান্ড মুফতির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৩:৪৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

সিরিয়ার সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শেখ আহমাদ বদরুদ্দিন হাসুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শাসনামলে গৃহযুদ্ধের সময় সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে তাকে এই সাজা দেওয়া হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দামেস্কের চতুর্থ ফৌজদারি আদালত হাসুনকে সহিংসতায় উসকানি, হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন ও সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেন।

হাসুন ২০০৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার গ্র্যান্ড মুফতির দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৫ সালের মার্চে আত্মগোপন থেকে বেরিয়ে আসার পর তাকে দামেস্ক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়।

বিচারক ফাখর আল-দীন আল-আরিয়ান বলেন, হাসুন এবং তার নেতৃত্বাধীন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আসাদ সরকারের সামরিক ও নিরাপত্তা অভিযানের পক্ষে ধর্মীয় বৈধতা দেওয়ার কাজ করেছে।

আদালতের অভিযোগ, বেসামরিক এলাকায় ব্যারেল বোমা ব্যবহারের পক্ষে সাফাই দিয়েছিলেন হাসুন। একই সঙ্গে সিরীয় সেনাদের বিরোধী পক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।

হত্যাকাণ্ডে উসকানির অভিযোগে তাকে আলাদাভাবে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং হত্যাকাণ্ড দীর্ঘায়িত করার অভিযোগে আরও ১০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকজন ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।

অপরাধের গুরুতরতার কারণে হাসুন কোনো সাধারণ বা বিশেষ ক্ষমার সুযোগ পাবেন না বলেও আদালত জানিয়েছে। তার অর্থ-সম্পদ ও সম্পত্তি রাষ্ট্রের মালিকানায় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি ভুক্তভোগীদের অধিকার রক্ষাকে ‘পবিত্র দায়িত্ব’ বলে উল্লেখ করেন।