ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ধ্বংসেই মনোযোগ যুক্তরাষ্ট্রের
- আপডেট সময় ০৪:০২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১১ বার পড়া হয়েছে
ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি নাও হতে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন পরিস্থিতিতে তেহরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ধ্বংসের দিকেই ওয়াশিংটনের মনোযোগ থাকবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট।
রোববার এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাইট বলেন, ইরানের পরবর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর হয়তো কোনো চুক্তি হতে পারে। তবে সেটি হবে কি না, তা এখনই বলা সম্ভব নয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে একাধিকবার বলেছেন, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর ইরানের নেতৃত্বে মৌলিক পরিবর্তন এসেছে। গত মাসেও তিনি ইরানের সঙ্গে চুক্তি নাও হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। অথচ শুরুতে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি করা ট্রাম্প প্রশাসনের যুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল।
চুক্তি ছাড়াই ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে কীভাবে ঠেকানো হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে রাইট বলেন, ইরানের সেই সক্ষমতা ধ্বংসের অভিযান চালিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, ইরান ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির জন্য বড় ধরনের অবকাঠামো গড়ে তুলেছিল। বর্তমানে তারা যে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে, সেগুলো সেই অবকাঠামোর মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল। তবে নতুন করে আরও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা এখন ইরানের নেই।
এদিকে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন নিয়েও কথা বলেন রাইট। তিনি জানান, বর্তমানে সাত দিনের গড় হিসেবে প্রতিদিন ৯০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাচ্ছে। তার দাবি, এটি এ জলপথ দিয়ে তেল পরিবহনের সর্বোচ্চ গড়।
রাইট বলেন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাইপলাইন দিয়ে তেল পরিবহনের হিসাব ধরলে অঞ্চলটি থেকে প্রতিদিন মোট ১ কোটি ৩০ লাখ থেকে ১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল তেল বের হচ্ছে।
এদিকে শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবারও সংঘাত তীব্র হয়েছে। ইরান দুটি মার্কিন নৌযানকে লক্ষ্য করার পর যুক্তরাষ্ট্র তিনটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালায় বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
এরপর ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি তিনটি মার্কিন-সংশ্লিষ্ট জাহাজ ও তিনটি তেলবাহী জাহাজে পাল্টা হামলা চালানোর দাবি করেছে।
সূত্র: শাফাক নিউজ
























