ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুবলীগ হিসেবে আটক, জাতীয় পার্টির পরিচয়ে মুক্তি

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৬:০১:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার ধামরাইয়ে আটকের এক ঘণ্টা পর আবু বক্কর সিদ্দিক (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। জানা যায়, যুবলীগ পরিচয়ে আটক করা হলেও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) নেতা এসে দলের কর্মী দাবি করলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

গত শনিবার রাত ১০টার দিকে ধামরাই পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ পাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের ধামরাই পৌর কমিটির অন্তত দুজন নেতা জানান, আবু বক্কর সিদ্দিক ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ধামরাই পৌর যুবলীগের সভাপতি আমিনুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় পর্যন্ত তিনি যুবলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

যদিও আটকের পর আবু বক্করকে নিজেদের কর্মী দাবি করেন বিজেপি ধামরাই উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন জনি। আবু বক্কর ও সাব্বির হোসেন দুজনই ধামরাইয়ের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহকর্মী ছিলেন। আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘ওসি ডাকছিল। আটক করে নাই।’

যুবলীগের সভাপতি পদে কখনো ছিলেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবেও তিনি বলেন, ‘না না, বিজেপি আমি। প্রায় ৫-৭ বছর ধরে বিজেপি করি।’ বর্তমানে বিজেপির স্থানীয় কমিটিতে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে আবু বকর সিদ্দিক জানান, তিনি সহসভাপতি পদে আছেন। ওই কমিটি ২০২৩ সালে অনুমোদিত হয়েছিল।

আবু বকরকে আটক করা ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক বলেন, ‘আবু বকর সিদ্দিক নামে একজনকে একটি তথ্যের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি চলে গেছেন। তাকে আটক করা হয়নি।’

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, ‘একটা ভুল তথ্য ছিল। পরে যাচাই-বাছাই করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি নেতাদের ভাষ্যমতে, তিনি তিন-চার বছর ধরে তাদের সঙ্গে জড়িত। কমিটি ’২৩ সালে হয়েছে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

যুবলীগ হিসেবে আটক, জাতীয় পার্টির পরিচয়ে মুক্তি

আপডেট সময় ০৬:০১:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকার ধামরাইয়ে আটকের এক ঘণ্টা পর আবু বক্কর সিদ্দিক (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। জানা যায়, যুবলীগ পরিচয়ে আটক করা হলেও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) নেতা এসে দলের কর্মী দাবি করলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

গত শনিবার রাত ১০টার দিকে ধামরাই পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ পাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের ধামরাই পৌর কমিটির অন্তত দুজন নেতা জানান, আবু বক্কর সিদ্দিক ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ধামরাই পৌর যুবলীগের সভাপতি আমিনুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় পর্যন্ত তিনি যুবলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

যদিও আটকের পর আবু বক্করকে নিজেদের কর্মী দাবি করেন বিজেপি ধামরাই উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন জনি। আবু বক্কর ও সাব্বির হোসেন দুজনই ধামরাইয়ের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহকর্মী ছিলেন। আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘ওসি ডাকছিল। আটক করে নাই।’

যুবলীগের সভাপতি পদে কখনো ছিলেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবেও তিনি বলেন, ‘না না, বিজেপি আমি। প্রায় ৫-৭ বছর ধরে বিজেপি করি।’ বর্তমানে বিজেপির স্থানীয় কমিটিতে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে আবু বকর সিদ্দিক জানান, তিনি সহসভাপতি পদে আছেন। ওই কমিটি ২০২৩ সালে অনুমোদিত হয়েছিল।

আবু বকরকে আটক করা ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক বলেন, ‘আবু বকর সিদ্দিক নামে একজনকে একটি তথ্যের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি চলে গেছেন। তাকে আটক করা হয়নি।’

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, ‘একটা ভুল তথ্য ছিল। পরে যাচাই-বাছাই করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি নেতাদের ভাষ্যমতে, তিনি তিন-চার বছর ধরে তাদের সঙ্গে জড়িত। কমিটি ’২৩ সালে হয়েছে।’