রবীন্দ্রনাথের বিরোধিতা করায় ছাত্রদল আমাকে বহিষ্কার করেছে, চাঁদাবাজি করলে বহিষ্কার হতাম না
- আপডেট সময় ১১:৪৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
- / ২২ বার পড়া হয়েছে
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি পায়ের নিচে রেখে তোলা ছবি ফেসবুকে দেওয়ার পর বহিষ্কার হয়েছেন বাঁধের হাট আব্দুল মালেক উকিল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হাসিবুল ইসলাম মারুফ। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘চাঁদাবাজি, অনৈতিক কাজ করলে বা নেশাগ্রস্ত হলে বহিষ্কার হতাম না, ভারতীয় আধিপত্যবাদ, রবীন্দ্রনাথের বিরোধিতা করায় আমাকে বহিষ্কার করেছে নোয়াখালী জেলা ছাত্রদল।’
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের বহিষ্কারাদেশের নোটিশটিও পোস্ট করেন মারুফ। নোটিশে বলা হয়েছে, ছাত্রদল নোয়াখালী জেলা শাখার সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বাঁধের হাট আব্দুল মালেক উকিল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হাসিবুল ইসলাম মারুফকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান রাহান এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। নোটিশটি পোস্ট করে মারুফ ফেসবুকে লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, চাঁদাবাজি করলে বহিষ্কার হতাম না, অনৈতিক কাজ করলে বহিষ্কার হতাম না, নেশাগ্রস্ত হলে বহিষ্কার হতাম না, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধিতা করায় রবীন্দ্রনাথের বিরোধিতা করে পোস্ট করায় আমাকে বহিষ্কার করেছে নোয়াখালী জেলা ছাত্রদল।’
তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ খ্যাত এই জায়গায় আমি মারুফ একাই ছাত্রদলকে টেনে তুলেছি। কমিটির পরে যখন সেক্রেটারি একদিনের জন্য কলেজে আসতো না এবং কমিটির এক সভাপতি আমি ছাড়া যখন কেউ আসতো না, তখন আমি মারুফই একা একা কয়েকটা ছোট ভাইকে নিয়ে প্রতিনিয়ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছি নিজ অর্থায়নে।’
ছাত্রদলের বহিষ্কৃত এ নেতা আরও বলেন, ‘যখন কোনো শিক্ষার্থী সমস্যায় পড়েছে, ছাত্রদলের হয়ে আমি একাই গিয়েছি। দলমত নির্বিশেষে যতটুকু সম্ভব হয়েছে আমি করেছি। বুকে হাত দিয়ে বলতে পারব কখনো রাজনীতি করে বৈধ অবৈধভাবে এক পয়সাও ইনকাম করিনি। সব ইতিহাস আরেক দিন বলব।
তিনি বলেন, ‘বহিষ্কার এর কারণ তাদের সাথে রাজনীতি না করা। সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা। চাটাচাটিতে পারদর্শী না হওয়া। দালালি করতে না পারা।’ সবশেষে মারুফ লিখেছেন, ‘নোয়াখালী জেলা ছাত্রদল, ভারতীয় দালাল দল।’




















