ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
ট্রান্সজেন্ডার-এলজিবিটি সম্পর্কে কথা বললেই শেষ

ট্রান্সজেন্ডারের বিরোধীতা করায় চাকরী হারালেন ব্র্যাকের শিক্ষক

নিউজ ডেস্ক:-
  • আপডেট সময় ০৭:০০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ২১৮ বার পড়া হয়েছে

গত শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে আয়োজিত ‘বর্তমান কারিকুলামে নতুন পাঠ্যপুস্তক: বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ মাহতাব।

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে ট্রান্সজেন্ডারের গল্প ঢুকিয়ে শিক্ষার্থীদের মগজধোলাই করা হচ্ছে। এসময় তিনি এই পাঠ্যবই থেকে ‘শরীফ’ থেকে ‘শরীফা’ হওয়ার গল্পের পাতা ছিঁড়ে ফেলেন। এ দৃশ্যের একটি ভিডিও মাহতাব তার নিজের ফেসবুকে আপলোড করেন। এরপর সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

ওই ভিডিওতে শিক্ষক জানান, তিনি বিশ্বের নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে এসেছেন। তিনি পশ্চিমা দেশে দেখেছেন সমকামী প্রবণতা বেড়ে গেছে। সমকামীতার ভয়াবহতা ক্রমেই বাড়ছে।

শিক্ষক মাহতাব বলেন, আমার সিনিয়ররা অনেক আগেই বিদেশে গেছেন, তারা জানেন। আমি রিসেন্টলি বিদেশে গিয়েছি মাস্টার্স পাশ করে। আমি ইংল্যান্ড, ইউকে থেকে পড়াশোনা করেছি। আপনারা যদি বিদেশে যান, তাহলে কওমী লুত যে কিভাবে সম্ভব, দেখবেন। ৪০ পার্সেন্ট আমেরিকানরা এখন সমকামী। তার মানে প্রায় দুজনের মধ্যে একজন সমকামী।

তিনি বলেন, আমার বন্ধু আমেরিকায় পিএইচডি করছেন। তার সঙ্গে কথা বলেছি, সে বললো ট্রান্সজেন্ডার-এলজিবিটি সম্পর্কে কথা বললেই শেষ, এবং এটা আমি নিজে ফেস করেছি।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক থাকা ট্রান্সজেন্ডার প্রমোট করা অংশটুকু ছিঁড়ে ফেলেন। এই পাঠ্যবই থেকে ‘শরীফ’ থেকে ‘শরীফা’ হওয়ার গল্পের অধ্যায়টি ছিল। যা কিনা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য হুমকি স্বরূপ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রান্সজেন্ডার-এলজিবিটি সম্পর্কে কথা বললেই শেষ

ট্রান্সজেন্ডারের বিরোধীতা করায় চাকরী হারালেন ব্র্যাকের শিক্ষক

আপডেট সময় ০৭:০০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৪

গত শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে আয়োজিত ‘বর্তমান কারিকুলামে নতুন পাঠ্যপুস্তক: বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ মাহতাব।

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে ট্রান্সজেন্ডারের গল্প ঢুকিয়ে শিক্ষার্থীদের মগজধোলাই করা হচ্ছে। এসময় তিনি এই পাঠ্যবই থেকে ‘শরীফ’ থেকে ‘শরীফা’ হওয়ার গল্পের পাতা ছিঁড়ে ফেলেন। এ দৃশ্যের একটি ভিডিও মাহতাব তার নিজের ফেসবুকে আপলোড করেন। এরপর সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

ওই ভিডিওতে শিক্ষক জানান, তিনি বিশ্বের নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে এসেছেন। তিনি পশ্চিমা দেশে দেখেছেন সমকামী প্রবণতা বেড়ে গেছে। সমকামীতার ভয়াবহতা ক্রমেই বাড়ছে।

শিক্ষক মাহতাব বলেন, আমার সিনিয়ররা অনেক আগেই বিদেশে গেছেন, তারা জানেন। আমি রিসেন্টলি বিদেশে গিয়েছি মাস্টার্স পাশ করে। আমি ইংল্যান্ড, ইউকে থেকে পড়াশোনা করেছি। আপনারা যদি বিদেশে যান, তাহলে কওমী লুত যে কিভাবে সম্ভব, দেখবেন। ৪০ পার্সেন্ট আমেরিকানরা এখন সমকামী। তার মানে প্রায় দুজনের মধ্যে একজন সমকামী।

তিনি বলেন, আমার বন্ধু আমেরিকায় পিএইচডি করছেন। তার সঙ্গে কথা বলেছি, সে বললো ট্রান্সজেন্ডার-এলজিবিটি সম্পর্কে কথা বললেই শেষ, এবং এটা আমি নিজে ফেস করেছি।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক থাকা ট্রান্সজেন্ডার প্রমোট করা অংশটুকু ছিঁড়ে ফেলেন। এই পাঠ্যবই থেকে ‘শরীফ’ থেকে ‘শরীফা’ হওয়ার গল্পের অধ্যায়টি ছিল। যা কিনা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য হুমকি স্বরূপ।