ঢাকা ০৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাংনীতে ভোরে হাঁটতে বেরিয়ে গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতা, হাসপাতালে ভর্তি

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০১:১২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৪২ বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামে বিএনপির এক নেতাকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) ভোর ৫টার দিকে কুষ্ঠিয়া সড়কের সাহারবাটি ও ভাটপাড়ার মাঝামাঝি কাশেম মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত মুকুল হোসেন সাহারবাটি ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক। তিনি সাহারবাটি গ্রামের নেক মহাম্মদের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফজরের আজানের পর মুকুল হোসেন হাঁটতে বের হন। কাশেম মোড়ে পৌঁছালে তিনজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় তাদের সঙ্গে মুকুলের ধস্তাধস্তি হয়। পরে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং চিৎকার করলে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে।

স্থানীয়দের দাবি, তার বুকে ও পিঠে অন্তত পাঁচটি গুলি করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে তাকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে। ঘটনার পর গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাসের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চারটি গুলির খোসা উদ্ধার করে।

স্থানীয় বিএনপি নেতা বক্কার আলী বলেন, ‘এর আগেও মুকুল হোসেনের ওপর একাধিকবার বোমা হামলা করা হয়েছিল। এবার তাকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।’

সাবেক ইউপি সদস্য ফরমান আলী জানান, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।’

এ বিষয়ে ওসি উত্তম কুমার দাস বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।’ এর আগেও মুকুল হোসেনের ওপর দুই দফায় বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছিল।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

গাংনীতে ভোরে হাঁটতে বেরিয়ে গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতা, হাসপাতালে ভর্তি

আপডেট সময় ০১:১২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামে বিএনপির এক নেতাকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) ভোর ৫টার দিকে কুষ্ঠিয়া সড়কের সাহারবাটি ও ভাটপাড়ার মাঝামাঝি কাশেম মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত মুকুল হোসেন সাহারবাটি ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক। তিনি সাহারবাটি গ্রামের নেক মহাম্মদের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফজরের আজানের পর মুকুল হোসেন হাঁটতে বের হন। কাশেম মোড়ে পৌঁছালে তিনজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় তাদের সঙ্গে মুকুলের ধস্তাধস্তি হয়। পরে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং চিৎকার করলে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে।

স্থানীয়দের দাবি, তার বুকে ও পিঠে অন্তত পাঁচটি গুলি করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে তাকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে। ঘটনার পর গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাসের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চারটি গুলির খোসা উদ্ধার করে।

স্থানীয় বিএনপি নেতা বক্কার আলী বলেন, ‘এর আগেও মুকুল হোসেনের ওপর একাধিকবার বোমা হামলা করা হয়েছিল। এবার তাকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।’

সাবেক ইউপি সদস্য ফরমান আলী জানান, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।’

এ বিষয়ে ওসি উত্তম কুমার দাস বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।’ এর আগেও মুকুল হোসেনের ওপর দুই দফায় বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছিল।