ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকের উপর ছাত্রদলের হামলা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৭:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২৬ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কুমিল্লা নিউজের স্টাফ রিপোর্টার কাজী নাফিজের উপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় নাফিজকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে পাঠানো হয়।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে নাফিজকে মারধর করেন ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী।

প্রত্যাক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, নাফিজ ক্লাস শেষ করে বের হলে হঠাৎ ছাত্রদলের ইমন আকবর গ্রুপের কয়েকজন নেতাকর্মী তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে ছিলেন হাসান, হুছাইন, তন্ময়, মাহিনুর, রেদোয়ান,মাহিনুর, তুশার ও অপু।

জানা যায়, বেশ কয়েকদিন ধরেই প্রেসক্লাবের সদস্যদের মারার হুমকি দিয়ে আসছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। প্রেসক্লাব গুপ্ত, সাংবাদিকদের দেখে নেওয়া হবেসহ নানা উস্কানিমূলক কথা বলার অভিযোগও রয়েছে ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শোডাউন দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

প্রেসক্লাবের প্রকাশনা সম্পাদক খালেদ বলেন, আমাদেরকে বেশ কয়েকদিন ধরেই বিনাকারণে ওরা হুমকি দিয়ে আসছে। আজকে আমাদের সভাপতিকে গুরুতর আহত করেছে। এর আগে আমাকে মারার হুমকি দিয়েছে। আমরা হামলার সুষ্ঠু বিচার চাই।

ভুক্তভোগী কাজী নাফিজ বলেন, অতীতে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে এমন সহিংসতা চালিয়েছে এখন ছাত্রদলও ওদের মতো আচরণ করতেছে। ক্যাম্পাসে একজন শিক্ষার্থী নিরাপদ না হলে তাহলে সে কোথায় নিরাপদ? আমি ক্লাস থেকে বের হওয়ার পর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কোন ইস্যু ছাড়ায় আমার উপর হামলা করে। আমাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করতে চেয়েছে কিন্তু আমি প্রিন্সিপালের রুমের সামনে চলে যাওয়ার কারণে পারেনি। আমি কর্তৃপক্ষের কাছে এই হামলার বিচার চাই। প্রিন্সিপাল আমাদের বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন।

এদিকে সাংবাদিকদের সিসিটিভি ফুটেজ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পলিটেকনিকের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, হামলার বিষয়ে  আমি জানি না। আর ওরা সাংবাদিক ছাত্রদল কিনা সেটাও আমি জানিনা।  আমি সেখানে ছিলাম না কিভাবে জানবো? আর  আমি ওদেরকে কেন দিব?  এটা যারা তদন্ত কমিটিতে আছে তারা দেখবে। আমরা তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করে দিয়েছি। কমিটি তিন কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দিবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকের উপর ছাত্রদলের হামলা

আপডেট সময় ০৭:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কুমিল্লা নিউজের স্টাফ রিপোর্টার কাজী নাফিজের উপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় নাফিজকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে পাঠানো হয়।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে নাফিজকে মারধর করেন ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী।

প্রত্যাক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, নাফিজ ক্লাস শেষ করে বের হলে হঠাৎ ছাত্রদলের ইমন আকবর গ্রুপের কয়েকজন নেতাকর্মী তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে ছিলেন হাসান, হুছাইন, তন্ময়, মাহিনুর, রেদোয়ান,মাহিনুর, তুশার ও অপু।

জানা যায়, বেশ কয়েকদিন ধরেই প্রেসক্লাবের সদস্যদের মারার হুমকি দিয়ে আসছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। প্রেসক্লাব গুপ্ত, সাংবাদিকদের দেখে নেওয়া হবেসহ নানা উস্কানিমূলক কথা বলার অভিযোগও রয়েছে ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শোডাউন দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

প্রেসক্লাবের প্রকাশনা সম্পাদক খালেদ বলেন, আমাদেরকে বেশ কয়েকদিন ধরেই বিনাকারণে ওরা হুমকি দিয়ে আসছে। আজকে আমাদের সভাপতিকে গুরুতর আহত করেছে। এর আগে আমাকে মারার হুমকি দিয়েছে। আমরা হামলার সুষ্ঠু বিচার চাই।

ভুক্তভোগী কাজী নাফিজ বলেন, অতীতে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে এমন সহিংসতা চালিয়েছে এখন ছাত্রদলও ওদের মতো আচরণ করতেছে। ক্যাম্পাসে একজন শিক্ষার্থী নিরাপদ না হলে তাহলে সে কোথায় নিরাপদ? আমি ক্লাস থেকে বের হওয়ার পর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কোন ইস্যু ছাড়ায় আমার উপর হামলা করে। আমাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করতে চেয়েছে কিন্তু আমি প্রিন্সিপালের রুমের সামনে চলে যাওয়ার কারণে পারেনি। আমি কর্তৃপক্ষের কাছে এই হামলার বিচার চাই। প্রিন্সিপাল আমাদের বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন।

এদিকে সাংবাদিকদের সিসিটিভি ফুটেজ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পলিটেকনিকের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, হামলার বিষয়ে  আমি জানি না। আর ওরা সাংবাদিক ছাত্রদল কিনা সেটাও আমি জানিনা।  আমি সেখানে ছিলাম না কিভাবে জানবো? আর  আমি ওদেরকে কেন দিব?  এটা যারা তদন্ত কমিটিতে আছে তারা দেখবে। আমরা তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করে দিয়েছি। কমিটি তিন কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দিবে।