ঢাকা ০৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদা না পেয়ে বিএনপি নেতাকে বেধড়ক পেটাল নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৬:০৭:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • / ২২ বার পড়া হয়েছে

চাঁদা চেয়ে না পেয়ে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের এক বিএনপি নেতাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের এক স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোনা মিয়াসহ অনেকেই আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগীর নাম শহিদুল ইসলাম (সোনা মিয়া)। তিনি কামারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তাকে মারধরে অভিযোগ উঠেছে দামোদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুল খালেক ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে।

রোববার (২৮ জুন) দুপুরে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে ঘটনা সম্পর্কে জানা যায়। শহিদুল ইসলাম নিজেই তার ওপর হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, শহিদুল ইসলাম মাছ চাষের উদ্দেশ্যে তার নিজের পুকুর খনন করেন। খোড়া মাটি এলাকার সড়ক নির্মাণের সরকারি কাজে সরবরাহ করেন। গতকাল শনিবার তিনি সেই মাটি নির্মাণাধীন সড়কে ট্রাক্টরযোগে পরিবহন করছিলেন। এ সময় দামোদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুল খালেক তার লোকজন নিয়ে এসে শহিদুল ইসলামের কাছে চাঁদা চান। খালেকের সঙ্গে ছিলেন নান্নু মিয়া, লাজু মিয়া, সিরাজুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

কিন্তু শহিদুল ইসলাম চাঁদা দেবেন না বলে জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেক ও তার লোকজন শহিদুল ইসলামের ওপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। তাদের মারের কারণে শহিদুল ইসলামের মাথা ফেটে যায়। তার পক্ষের কয়েকজনও মারধরের শিকার হন। পরে আহতদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

হাসপাতালে ভর্তি বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম বলেন, আমার পুকুরের খনন করা মাটি কেন নির্মাণাধীন সড়কে বহন করা হচ্ছে, সেটির জন্য স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেকসহ আরও অনেকে আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা দাবি করে। আমি চাঁদা দেব না বললে তারা আমার ওপর হামলা চালায়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে আব্দুল খালেকের সঙ্গে কথা বলতে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি।

পরে ঘটনাটি নিয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুর রহমান হাবিবের সঙ্গে কথা হয়। তিনি কালবেলাকে বলেন, এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চাঁদা না পেয়ে বিএনপি নেতাকে বেধড়ক পেটাল নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা

আপডেট সময় ০৬:০৭:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

চাঁদা চেয়ে না পেয়ে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের এক বিএনপি নেতাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের এক স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোনা মিয়াসহ অনেকেই আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগীর নাম শহিদুল ইসলাম (সোনা মিয়া)। তিনি কামারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তাকে মারধরে অভিযোগ উঠেছে দামোদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুল খালেক ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে।

রোববার (২৮ জুন) দুপুরে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে ঘটনা সম্পর্কে জানা যায়। শহিদুল ইসলাম নিজেই তার ওপর হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, শহিদুল ইসলাম মাছ চাষের উদ্দেশ্যে তার নিজের পুকুর খনন করেন। খোড়া মাটি এলাকার সড়ক নির্মাণের সরকারি কাজে সরবরাহ করেন। গতকাল শনিবার তিনি সেই মাটি নির্মাণাধীন সড়কে ট্রাক্টরযোগে পরিবহন করছিলেন। এ সময় দামোদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুল খালেক তার লোকজন নিয়ে এসে শহিদুল ইসলামের কাছে চাঁদা চান। খালেকের সঙ্গে ছিলেন নান্নু মিয়া, লাজু মিয়া, সিরাজুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

কিন্তু শহিদুল ইসলাম চাঁদা দেবেন না বলে জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেক ও তার লোকজন শহিদুল ইসলামের ওপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। তাদের মারের কারণে শহিদুল ইসলামের মাথা ফেটে যায়। তার পক্ষের কয়েকজনও মারধরের শিকার হন। পরে আহতদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

হাসপাতালে ভর্তি বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম বলেন, আমার পুকুরের খনন করা মাটি কেন নির্মাণাধীন সড়কে বহন করা হচ্ছে, সেটির জন্য স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেকসহ আরও অনেকে আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা দাবি করে। আমি চাঁদা দেব না বললে তারা আমার ওপর হামলা চালায়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে আব্দুল খালেকের সঙ্গে কথা বলতে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি।

পরে ঘটনাটি নিয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুর রহমান হাবিবের সঙ্গে কথা হয়। তিনি কালবেলাকে বলেন, এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।