নুরের সর্বশেষ অবস্থা জানালেন রাশেদ: নাক ফেটে গেছে, চোখের অবস্থা খুবই খারাপ

- আপডেট সময় ০১:১০:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
- / ২৫ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের আন্দোলনে গুরুতর আহত গণঅধিকার পরিষদ সভাপতি নুরুল হক নুরের সর্বশেষ অবস্থা জানিয়েছেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, নুরের নাক ফেটে গেছে, চোখের অবস্থা খুবই খারাপ। হাত কেটে গেছে। সে এখন মুমূর্ষ অবস্থায় আছে। সে বাঁচবে কি মরবে, জানি না।
শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন রাশেদ।
রাশেদ বলেন, আমাদের দাবি ছিল জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা। আমরা যখন জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাই, তখন তাদের অফিস থেকে আমাদের মিছিলে হামলা করা হয়। প্রতিবাদে আমরা মশাল মিছিল বের করি। মিছিলটি যখন কার্যালয়ের দিকে যায়, তখন তারা দ্বিতীয় দফায় হামলা করা হয়। পরে আমরা সাড়ে ৯টার দিকে প্রেস ব্রিফিংয়ের ডাক দেই। কিন্তু সেটি শুরু করতে না করতেই সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা যৌথভাবে আমাদের ওপর হামলা চালায়। ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পরও কেন এভাবে হামলা হলো, প্রশ্নে করেন রাশেদ।
রাশেদ বলেন, আমি অবাক হয়ে গেলাম। ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলন না থাকলে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান হয় না। আমরা এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছি। তিনি বলেন, আমরা মনে করি, এই সরকার জাতীয় পার্টিকে নিরাপত্তা দিচ্ছে।
এর আগে রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় রক্তাক্ত হন নুরুল হক নুর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে নুরকে উদ্ধার করে হাসপাতালের দিকে নিয়ে যান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। আহতের সংবাদ পেয়েছে ইতোমধ্যেই সেখানে উপস্থিত হয়েছেন তার স্ত্রী মারিয়া আক্তার।
নুরের ফেসবুক থেকে আসা একাধিক লাইভে দেখা গেছে, মুখ থেকে বুক পর্যন্ত পুরো রক্তাক্ত। ফেটে গেছে নাক। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের তাকে স্ট্রেচারে করে হাসপাতলে নিয়ে যেতে দেখা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে. দ্বিতীয় দফায় জাপা নেতাকর্মীদের সঙ্গে গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। সেনাবাহিনী এসে জাপা নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেয়। গণ অধিকার পরিষদের নেতাদের ঘটনাস্থল ছাড়তে ১০ মিনিট সময় দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কিন্তু তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ না করায় সেখানে ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয়। এতে নুরসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।