ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৪:০৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২৪ বার পড়া হয়েছে

‘মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও কেন্দ্রগুলোতে হামলায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উচ্চ কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে, যা হবে পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।’ এসব ব্যাখ্যা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রখ্যাত তত্ত্ববিদ ও শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জন মিয়ারশাইমার।

মিয়ারশাইমার আরও বলেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার কার্যকর কোনো সমাধান যুক্তরাষ্ট্র বা অঞ্চলের অন্য কোনো দেশের কাছে নেই। বাস্তবতা হলো, এগুলোর আক্রমণ মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব ঘাঁটিতেই মারাত্মক ক্ষতিসাধন করেছে বা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, মার্কিন বাহিনী পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ঘাঁটিগুলো থেকে সরে গিয়ে প্রথমে জর্ডানে, সেখান থেকে ইসরাইলে (অধিকৃত ভূখণ্ডে) এবং শেষ পর্যন্ত ইউরোপে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে বলে প্রমাণ মিলেছে। চলমান সংঘাত শেষ হওয়ার পরও ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ক্রমাগত হুমকি এবং পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর মার্কিন বাহিনীর আয়োজক হতে অনীহার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের এই অঞ্চলে ফিরে আসার সম্ভাবনা কম।

মিয়ারশাইমারের মতে, বর্তমান মার্কিন নীতি তাদের একটি ‘বিধ্বংসী পরাজয়’ নিশ্চিত করেছে। ট্রাম্পের হাতে এখন কোনো ‘কার্ড’ বা কৌশলগত সুবিধা নেই এবং তিনি এই যুদ্ধে হেরে গেছেন। ইরান তার ভৌগোলিক সুবিধা, সামরিক কৌশল এবং মিত্রদের (রাশিয়া ও চীন) সহায়তায় আমেরিকার চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধকে সফলভাবে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে।

সূত্র: ইরনা বার্তা সংস্থা

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র

আপডেট সময় ০৪:০৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

‘মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও কেন্দ্রগুলোতে হামলায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উচ্চ কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে, যা হবে পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।’ এসব ব্যাখ্যা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রখ্যাত তত্ত্ববিদ ও শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জন মিয়ারশাইমার।

মিয়ারশাইমার আরও বলেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার কার্যকর কোনো সমাধান যুক্তরাষ্ট্র বা অঞ্চলের অন্য কোনো দেশের কাছে নেই। বাস্তবতা হলো, এগুলোর আক্রমণ মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব ঘাঁটিতেই মারাত্মক ক্ষতিসাধন করেছে বা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, মার্কিন বাহিনী পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ঘাঁটিগুলো থেকে সরে গিয়ে প্রথমে জর্ডানে, সেখান থেকে ইসরাইলে (অধিকৃত ভূখণ্ডে) এবং শেষ পর্যন্ত ইউরোপে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে বলে প্রমাণ মিলেছে। চলমান সংঘাত শেষ হওয়ার পরও ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ক্রমাগত হুমকি এবং পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর মার্কিন বাহিনীর আয়োজক হতে অনীহার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের এই অঞ্চলে ফিরে আসার সম্ভাবনা কম।

মিয়ারশাইমারের মতে, বর্তমান মার্কিন নীতি তাদের একটি ‘বিধ্বংসী পরাজয়’ নিশ্চিত করেছে। ট্রাম্পের হাতে এখন কোনো ‘কার্ড’ বা কৌশলগত সুবিধা নেই এবং তিনি এই যুদ্ধে হেরে গেছেন। ইরান তার ভৌগোলিক সুবিধা, সামরিক কৌশল এবং মিত্রদের (রাশিয়া ও চীন) সহায়তায় আমেরিকার চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধকে সফলভাবে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে।

সূত্র: ইরনা বার্তা সংস্থা