মিরপুরে ৫ লেগুনা স্ট্যান্ড দখল, গাড়িপ্রতি ৩০০ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ
- আপডেট সময় ১১:৩৬:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ৩৩ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর মিরপুরে পাঁচটি লেগুনা স্ট্যান্ড জোরপূর্বক দখল, গাড়িপ্রতি ৩০০ টাকা চাঁদা দাবি এবং লেগুনা মালিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং দখল হওয়া স্ট্যান্ডগুলো উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে বৃহত্তর মিরপুর লেগুনা মালিক-শ্রমিক ইউনিয়ন।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এসব অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের নেতা মো. ইয়াকুব আলী অভিযোগ করেন, গত ৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অস্ত্র প্রদর্শন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে মিরপুর ১ নম্বর সেকশনের পাঁচটি লেগুনা স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ঢাকা-১৪ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এস এ সিদ্দিক সাজ্জুর সমর্থক ও সহযোগী হিসেবে পরিচিত এবং বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের জড়িত থাকার অভিযোগ করেন তিনি।
ইয়াকুব আলীর অভিযোগ, বিপ্লব, সোলেমান দেওয়ান, মহব্বত আলী, পাভেল ভূঁইয়া, তৈয়ব আলী, আলমগীর হোসেন, শামীম ও মজিবর রহমানসহ ৬০ থেকে ৭০ জন এ ঘটনায় জড়িত।
সংগঠনের নেতারা জানান, স্ট্যান্ডগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর লেগুনার মালিকদের কাছে প্রতিটি গাড়ির জন্য ৩০০ টাকা করে চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। দাবি অনুযায়ী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মালিকদের ভয়ভীতি দেখানো ও চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।
এ ছাড়া লেগুনা মালিক ইয়াকুব আলী, নজরুল ইসলাম ও বাবুলের ওপর হামলার অভিযোগ করেন সংগঠনের নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, হামলার ঘটনার পর ইয়াকুব আলী দারুস সালাম থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে তার অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি। এ ঘটনার তদন্ত করে কোনো পুলিশ সদস্যের গাফিলতি পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান সংগঠনের নেতারা।
সংবাদ সম্মেলন থেকে পাঁচটি লেগুনা স্ট্যান্ড দখলের অভিযোগ তদন্ত, ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য যাচাই, হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেফতার এবং অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে স্ট্যান্ডগুলো দখলমুক্ত করে মালিক-শ্রমিকদের স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে মো. ইয়াকুব আলী, মো. নজরুল ইসলাম, মো. সাইদুল শেখ, আলামিন ও ফিরোজসহ সংগঠনের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।



















