কুষ্টিয়া পলিটেকনিকে মিছিল ঘিরে ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষ, আহত ২
ডেস্ক রিপোর্ট
- আপডেট সময় ০৭:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
- / ৩১ বার পড়া হয়েছে
কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে আয়োজিত মিছিলকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুর থেকে ক্যাম্পাস এলাকায় এ উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। পরে কলেজ প্রশাসন ও কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের উদ্যোগে দুই পক্ষের নেতাদের মধ্যে আলোচনা ও সমঝোতা হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা, সাধারণ শিক্ষার্থী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম উপলক্ষে গত তিন দিন ধরে কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে হেল্পডেস্ক পরিচালনা করে আসছিল ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার পাশাপাশি রোববার নবীনদের শুভেচ্ছা জানাতে মিছিলের আয়োজন করে সংগঠন দুটি।
এ সময় মিছিলে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে দুই শিক্ষার্থী আহত হন।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জুবায়ের আহমেদ বলেন, “একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জুনিয়র শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। এর জেরে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। আহত ও ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিরা ভিন্ন মতাদর্শের হলেও সবাই সাধারণ শিক্ষার্থী। পরে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, কলেজ প্রশাসন ও থানা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা একসঙ্গে বসে বিষয়টির সমাধান করেন।”
অন্যদিকে, কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব মো. মারুফ হোসেন পিয়াস বলেন, “নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানাতে একটি সাধারণ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা মিছিলে অংশ নিতে আসার সময় বাধার মুখে পড়লে বাকবিতণ্ডা ও ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। তবে থানার ওসি ও কলেজ প্রশাসনের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করা হয়েছে।”
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, “শিক্ষার্থীদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ ভুল বোঝাবুঝি থেকে এ ঘটনা ঘটেছে। এর পেছনে বড় কোনো রাজনৈতিক ইস্যু ছিল না। কলেজের অধ্যক্ষ ও পুলিশ যৌথভাবে আলোচনা করে বিষয়টি মীমাংসা করেছেন। বর্তমানে ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।”
ট্যাগস :



















