ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংসদে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

ড. ইউনূস লন্ডনে গিয়ে ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে আসছেন

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৩১ বার পড়া হয়েছে

বিদায়ি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস লন্ডনে গিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে আসছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনটি আন্দোলনের ট্রফি বিএনপির ঘরে বলে দাবি করে মীর শাহে আলম বলেন, ১৯৭১, ১৯৯০ এবং ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট তিনটি আন্দোলনের ট্রফিই আমাদের ঘরে। এরকম ট্রফি শুধু বিএনপির ঘরে, অন্য কোনো রাজনৈতিক দল দেখাতে পারবে না।

আওয়ামী লীগ একাত্তর ও নব্বইয়ের বলতে পারবে কিন্তু জুলাই-আগস্টের ট্রফি তাদের ঘরে নাই। বিরোধী দলের বন্ধুরা জুলাই-আগস্ট বলতে পারবে কিন্তু একাত্তর ও নব্বই বলতে পারবে না। এ সময় বিরোধীদলীয় নেতারা হইচই করেন। জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলের এমপিরা হইচই করতে পারেন। তারা নব্বইয়ের কথা বলতে পারেন। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে ডাক-ঢোল পিটিয়ে তারাই আওয়ামী লীগের নির্বাচনে গিয়েছিল, আমরা যায়নি।

কারো নাম উল্লেখ না করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এনসিপির এক নেতা বাইরে বলেছিলেন জুলাই আন্দোলনের ছাত্র-জনতা খেলেছে, আর ট্রফি বিএনপি নিয়েছি।

এসময় বিরোধী দলের সংসদর সদস্যদের আবারো হৈ-চৈ করলে স্পিকার বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্যরা বক্তাকে কোন বাঁধা দেবেন না। আপনারাও আপনাদের বক্তব্যে উপস্থাপন করতে পারেন।

পরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে ছাত্র-জনতার সঙ্গে আমরা সবাই ছিলাম। ট্রফি আমরা কারও কাছে নিতে যাইনি। ক্যাপ্টেন কে? সেটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস চিনেন। এ কারণে ওনি লন্ডনে গিয়ে আমাদের ক্যাপ্টেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে আসছেন।

এতে প্রমাণিত হয় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের নেতৃত্বে মূল ভূমিকা কোন দলের ছিল, কোন নেতার ছিল, আমরা সবাই আন্দোলন করেছি এটা অস্বীকার করার সুযোগ নাই।কিন্তু ক্যাপ্টেন একজনই থাকেন, সে ক্যাপ্টেনের কাছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান লন্ডনে গিয়ে আলোচনা করে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে আসছেন বলেই এ দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে।

জাতীয় সংসদের স্পিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজ উদ্দিন আহমদকে উদ্দেশ্য করে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনাকে দেখলে এখানে অনেকের ভালো লাগবে, কারও কারও ভালো লাগবে না। কিন্তু আপনি ১৯৭১ সালকে প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই ক্রেডিট বিএনপির কারণ স্বাধীনতার ঘোষক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান।

সরকারি দলের বেঞ্চে অনেক মুক্তিযোদ্ধা উল্লেখ করে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেটি বিরোধী দলের বেঞ্চের মধ্যে খুঁজে পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। এ সময় বিরোধী দলের সদস্যরা হৈ চৈ করেন। তখন স্পিকার বলেন, বিরোধী দলের বেঞ্চেও মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। আমি নিজেও দেখেছি, গাজী নজরুল ইসলাম (সাতক্ষীরা-৩) একজন মুক্তিযোদ্ধা।

বিরোধী দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বিরোধী দলের (২০০১ সালের সরকার) এমপিদের গাড়িতে পতাকা দিয়ে দায়মুক্তি দিয়ে সরকারের অংশ করে জাতির কাছে সম্মানিত করেছে। সে কথাতো একবারও বলেন না। আপনাদের শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি বেগম খালেদা জিয়া।

সবার আন্দোলনের ফসল বর্তমান সংসদ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরাও আন্দোলন করেছি, আপনারাও আন্দোলন করেছেন। কিন্তু মাঝপথ থেকে আমাদের কাছ চলে গিয়েছিলেন ২০১৪ সালের পরে। তখন আপনাদের আর খুঁজে পায়নি। দীর্ঘদিন যাবত আমরা চারদলীয় জোট, ২০ দলীয় জোট একসঙ্গে ছিলাম। এক অপরকে কিন্তু বহুভাবে চিনি।

একই মিটিংয়ে বসে আন্দোলন, লড়াই করেছি, সমাবেশ করেছি। কিন্তু কোন এক অজানা কারণে আপনারা গুপ্ত হয়ে জুলাই-আগস্টের পরে প্রকাশ্য এসে জাতির সামনে বারবার জুলাই-আগস্টকে ধারণ করে ভুল বুঝাতে চাচ্ছেন। আপনারা জুলাই-আগস্টকে এমনভাবে ধারণ করতে চান মনেহয় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ হয়নি, নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন হয়নি।

যদিও ২০১৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে বর্তমান বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমানসহ জামায়াতের নেতারা বিএনপির মনোনয়নে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিল।

সরকার পরিচালনায় বিরোধী দলের সহযোগিতা চান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই, যাতে মানুষ মনে করে একসময়কার জোটবদ্ধ বিএনপি-জামায়াত যদিও আজকে আলাদা আলাদা কিন্তু তারা আবার ভেতরে ভেতরে এক হয়ে দেশকে ভালো জায়গায়, সুন্দর জায়গায় নিয়ে গেছে।

প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে ফ্লোর নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, আমরা প্রথমদিনই অঙ্গীকার করেছি এ বিরোধী দল গতানুগতিক বিরোধী দল হবে না। ন্যায় সঙ্গত সব কাজে সহযোগিতা এবং অন্যায়-জনঅধিকার হরণকারী সব পদক্ষেপে কণ্ঠ থাকবে আপোষহীন। আজকে মাননীয় সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানাতে গিয়ে আমাদের জেরবার করে ফেলেছেন। অসংখ্য অসত্য তথ্য এখানে এসেছে। দুই একটার প্রতিবাদ আপনি (স্পিকার) নিজেও করেছেন। আমাদের দাবি অসত্য কোন তথ্য যাতে সংসদে কেউ পরিবেশন না করেন। অসত্য তথ্য এক্সপাঞ্চ করার দাবি জানান বিরোধী দলীয় নেতা।

পরে স্পিকার বলেন, আমি বক্তব্য পরীক্ষা করে দেখব। সেখানে কোন অসংসদীয় এবং অসত্য তথ্য থাকলে এক্সপাঞ্চ করা হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসদে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

ড. ইউনূস লন্ডনে গিয়ে ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে আসছেন

আপডেট সময় ০৩:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

বিদায়ি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস লন্ডনে গিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে আসছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনটি আন্দোলনের ট্রফি বিএনপির ঘরে বলে দাবি করে মীর শাহে আলম বলেন, ১৯৭১, ১৯৯০ এবং ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট তিনটি আন্দোলনের ট্রফিই আমাদের ঘরে। এরকম ট্রফি শুধু বিএনপির ঘরে, অন্য কোনো রাজনৈতিক দল দেখাতে পারবে না।

আওয়ামী লীগ একাত্তর ও নব্বইয়ের বলতে পারবে কিন্তু জুলাই-আগস্টের ট্রফি তাদের ঘরে নাই। বিরোধী দলের বন্ধুরা জুলাই-আগস্ট বলতে পারবে কিন্তু একাত্তর ও নব্বই বলতে পারবে না। এ সময় বিরোধীদলীয় নেতারা হইচই করেন। জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলের এমপিরা হইচই করতে পারেন। তারা নব্বইয়ের কথা বলতে পারেন। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে ডাক-ঢোল পিটিয়ে তারাই আওয়ামী লীগের নির্বাচনে গিয়েছিল, আমরা যায়নি।

কারো নাম উল্লেখ না করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এনসিপির এক নেতা বাইরে বলেছিলেন জুলাই আন্দোলনের ছাত্র-জনতা খেলেছে, আর ট্রফি বিএনপি নিয়েছি।

এসময় বিরোধী দলের সংসদর সদস্যদের আবারো হৈ-চৈ করলে স্পিকার বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্যরা বক্তাকে কোন বাঁধা দেবেন না। আপনারাও আপনাদের বক্তব্যে উপস্থাপন করতে পারেন।

পরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে ছাত্র-জনতার সঙ্গে আমরা সবাই ছিলাম। ট্রফি আমরা কারও কাছে নিতে যাইনি। ক্যাপ্টেন কে? সেটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস চিনেন। এ কারণে ওনি লন্ডনে গিয়ে আমাদের ক্যাপ্টেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে আসছেন।

এতে প্রমাণিত হয় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের নেতৃত্বে মূল ভূমিকা কোন দলের ছিল, কোন নেতার ছিল, আমরা সবাই আন্দোলন করেছি এটা অস্বীকার করার সুযোগ নাই।কিন্তু ক্যাপ্টেন একজনই থাকেন, সে ক্যাপ্টেনের কাছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান লন্ডনে গিয়ে আলোচনা করে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে আসছেন বলেই এ দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে।

জাতীয় সংসদের স্পিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজ উদ্দিন আহমদকে উদ্দেশ্য করে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনাকে দেখলে এখানে অনেকের ভালো লাগবে, কারও কারও ভালো লাগবে না। কিন্তু আপনি ১৯৭১ সালকে প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই ক্রেডিট বিএনপির কারণ স্বাধীনতার ঘোষক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান।

সরকারি দলের বেঞ্চে অনেক মুক্তিযোদ্ধা উল্লেখ করে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেটি বিরোধী দলের বেঞ্চের মধ্যে খুঁজে পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। এ সময় বিরোধী দলের সদস্যরা হৈ চৈ করেন। তখন স্পিকার বলেন, বিরোধী দলের বেঞ্চেও মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। আমি নিজেও দেখেছি, গাজী নজরুল ইসলাম (সাতক্ষীরা-৩) একজন মুক্তিযোদ্ধা।

বিরোধী দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বিরোধী দলের (২০০১ সালের সরকার) এমপিদের গাড়িতে পতাকা দিয়ে দায়মুক্তি দিয়ে সরকারের অংশ করে জাতির কাছে সম্মানিত করেছে। সে কথাতো একবারও বলেন না। আপনাদের শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি বেগম খালেদা জিয়া।

সবার আন্দোলনের ফসল বর্তমান সংসদ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরাও আন্দোলন করেছি, আপনারাও আন্দোলন করেছেন। কিন্তু মাঝপথ থেকে আমাদের কাছ চলে গিয়েছিলেন ২০১৪ সালের পরে। তখন আপনাদের আর খুঁজে পায়নি। দীর্ঘদিন যাবত আমরা চারদলীয় জোট, ২০ দলীয় জোট একসঙ্গে ছিলাম। এক অপরকে কিন্তু বহুভাবে চিনি।

একই মিটিংয়ে বসে আন্দোলন, লড়াই করেছি, সমাবেশ করেছি। কিন্তু কোন এক অজানা কারণে আপনারা গুপ্ত হয়ে জুলাই-আগস্টের পরে প্রকাশ্য এসে জাতির সামনে বারবার জুলাই-আগস্টকে ধারণ করে ভুল বুঝাতে চাচ্ছেন। আপনারা জুলাই-আগস্টকে এমনভাবে ধারণ করতে চান মনেহয় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ হয়নি, নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন হয়নি।

যদিও ২০১৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে বর্তমান বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমানসহ জামায়াতের নেতারা বিএনপির মনোনয়নে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিল।

সরকার পরিচালনায় বিরোধী দলের সহযোগিতা চান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই, যাতে মানুষ মনে করে একসময়কার জোটবদ্ধ বিএনপি-জামায়াত যদিও আজকে আলাদা আলাদা কিন্তু তারা আবার ভেতরে ভেতরে এক হয়ে দেশকে ভালো জায়গায়, সুন্দর জায়গায় নিয়ে গেছে।

প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে ফ্লোর নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, আমরা প্রথমদিনই অঙ্গীকার করেছি এ বিরোধী দল গতানুগতিক বিরোধী দল হবে না। ন্যায় সঙ্গত সব কাজে সহযোগিতা এবং অন্যায়-জনঅধিকার হরণকারী সব পদক্ষেপে কণ্ঠ থাকবে আপোষহীন। আজকে মাননীয় সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানাতে গিয়ে আমাদের জেরবার করে ফেলেছেন। অসংখ্য অসত্য তথ্য এখানে এসেছে। দুই একটার প্রতিবাদ আপনি (স্পিকার) নিজেও করেছেন। আমাদের দাবি অসত্য কোন তথ্য যাতে সংসদে কেউ পরিবেশন না করেন। অসত্য তথ্য এক্সপাঞ্চ করার দাবি জানান বিরোধী দলীয় নেতা।

পরে স্পিকার বলেন, আমি বক্তব্য পরীক্ষা করে দেখব। সেখানে কোন অসংসদীয় এবং অসত্য তথ্য থাকলে এক্সপাঞ্চ করা হবে।