ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলায় মালিককে মারধর করে দোকান দখল করল বিএনপি নেতা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ১০:১২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২৬ বার পড়া হয়েছে

ভোলার চরফ্যাশন পৌর শহরে দোকান দখলের চেষ্টা ও দোকান মালিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়ার বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী দোকান মালিক মো. সালাম।

তিনি বলেন, আমার বাবার নামে পৌর শহরের কাপড়িয়া পট্টিতে একটি দোকান রয়েছে, যা আমাদের পরিবার প্রায় ৫৫ বছর ধরে ভোগদখলে রেখেছে। তার দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অভিযুক্ত আলমগীর মালতিয়া প্রভাব খাটিয়ে দোকানটি থেকে তাদের উচ্ছেদের চেষ্টা করেন এবং একপর্যায়ে দোকানটি তালাবদ্ধ করে দেন।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পর তারা পুনরায় দোকানটি নিজেদের দখলে নেন। কিন্তু চলতি বছরের ৭ এপ্রিল আলমগীর মালতিয়া দোকানটির মালিকানা দাবি করে ভাড়াটিয়ার কাছে ভাড়া দাবি করেন। ভাড়াটিয়া এতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে অশালীন ভাষায় গালমন্দ করা হয়। আমি খবর পেয়ে সেখানে গেলে আলমগীর মালতিয়া আমাকে বেধড়ক মারধর করে। পরে আমি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলমগীর মালতিয়া বলেন, আমি যড়যন্ত্রের শিকার, এগুলো আমাদের দলিলকৃত জায়গা। সরকার যদি অধিগ্রহন করে থাকে সেটা সরকার সরকারি কাজে ব্যবহার করবে। কিন্তু একটি সুযোগ সন্ধানী মহল যেসময় যে সরকার আসে সেসময় সে সরকারের সাথে মিশে এই জায়গাগুলো মিলে মিশে ভোগ করে। আমি আইনগতভাবে এর ব্যবস্থা নেবো। আমি কারো কাছে চাঁদা চাইনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোলায় মালিককে মারধর করে দোকান দখল করল বিএনপি নেতা

আপডেট সময় ১০:১২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশন পৌর শহরে দোকান দখলের চেষ্টা ও দোকান মালিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়ার বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী দোকান মালিক মো. সালাম।

তিনি বলেন, আমার বাবার নামে পৌর শহরের কাপড়িয়া পট্টিতে একটি দোকান রয়েছে, যা আমাদের পরিবার প্রায় ৫৫ বছর ধরে ভোগদখলে রেখেছে। তার দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অভিযুক্ত আলমগীর মালতিয়া প্রভাব খাটিয়ে দোকানটি থেকে তাদের উচ্ছেদের চেষ্টা করেন এবং একপর্যায়ে দোকানটি তালাবদ্ধ করে দেন।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পর তারা পুনরায় দোকানটি নিজেদের দখলে নেন। কিন্তু চলতি বছরের ৭ এপ্রিল আলমগীর মালতিয়া দোকানটির মালিকানা দাবি করে ভাড়াটিয়ার কাছে ভাড়া দাবি করেন। ভাড়াটিয়া এতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে অশালীন ভাষায় গালমন্দ করা হয়। আমি খবর পেয়ে সেখানে গেলে আলমগীর মালতিয়া আমাকে বেধড়ক মারধর করে। পরে আমি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলমগীর মালতিয়া বলেন, আমি যড়যন্ত্রের শিকার, এগুলো আমাদের দলিলকৃত জায়গা। সরকার যদি অধিগ্রহন করে থাকে সেটা সরকার সরকারি কাজে ব্যবহার করবে। কিন্তু একটি সুযোগ সন্ধানী মহল যেসময় যে সরকার আসে সেসময় সে সরকারের সাথে মিশে এই জায়গাগুলো মিলে মিশে ভোগ করে। আমি আইনগতভাবে এর ব্যবস্থা নেবো। আমি কারো কাছে চাঁদা চাইনি।