ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এ থেকে জেড ক্যাটাগরিতে অবনমন ইসলামী ব্যাংকের

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ না দেওয়ায় ‘এ’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবনমন ঘটেছে ইসলামী ব্যাংকের। গত ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ব্যাংকের বোর্ড সভায় ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা করা হয়।

এর আগে ২০২৪ সালের সমাপ্ত বছরের জন্যও ব্যাংকটি শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। পরপর দুই হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ না দেওয়ায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা অনুসারে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবনমন ঘটলো ব্যাংকটির।

এদিকে ‘জেড ক্যাটাগরিতে’ অবনমনের কারণে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়ে কোনো ধরনের মার্জিন লোন সুবিধা না দেওয়ার জন্য ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিএসইসির মার্জিন লোন বিধিমালা-২০২৫ অনুসারে লোন না দেওয়ার জন্য ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ অনুরোধ জানানো হয়। আজ বৃহস্পতিবার ডিএসইর ওয়েসবাইটে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

এক সময় বিশ্বের শীর্ষ ১ হাজার ব্যাংকের তালিকায় থাকা ইসলামী ব্যাংক আওয়ামী সরকারের আমলে লুটপাটের শিকার হয়। লুটপাটের কারণে আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছিল ব্যাংকটি। তবে সে অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে।

২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি মুনাফা (কনসলিডেটেড) হয়েছে ৮৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৪ টাকা ৫২ পয়সায়। ২০২৪ সালে শেয়ারপ্রতি মুনাফার পরিমাণ ছিল ৬৮ পয়সা এবং সম্পদমূল্য ছিল ৪৪ টাকা ৩৬ পয়সা।

এদিকে ‘জেড ক্যাটাগরিতে’ অবনমনের কারণে ব্যাংকটির শেয়ার দরের পতন ঘটেছে ৪ শতাংশেরও বেশি। দিনের শুরুতে ব্যাংকটির শেয়ারের দর ছিল ৩৪ টাকা ৭০ পয়সা। দিনশেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৩০ পয়সায়। এ হিসাবে দাম কমেছে ১ টাকা ৪০ পয়সা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

এ থেকে জেড ক্যাটাগরিতে অবনমন ইসলামী ব্যাংকের

আপডেট সময় ০৭:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ না দেওয়ায় ‘এ’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবনমন ঘটেছে ইসলামী ব্যাংকের। গত ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ব্যাংকের বোর্ড সভায় ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা করা হয়।

এর আগে ২০২৪ সালের সমাপ্ত বছরের জন্যও ব্যাংকটি শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। পরপর দুই হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ না দেওয়ায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা অনুসারে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবনমন ঘটলো ব্যাংকটির।

এদিকে ‘জেড ক্যাটাগরিতে’ অবনমনের কারণে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়ে কোনো ধরনের মার্জিন লোন সুবিধা না দেওয়ার জন্য ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিএসইসির মার্জিন লোন বিধিমালা-২০২৫ অনুসারে লোন না দেওয়ার জন্য ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ অনুরোধ জানানো হয়। আজ বৃহস্পতিবার ডিএসইর ওয়েসবাইটে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

এক সময় বিশ্বের শীর্ষ ১ হাজার ব্যাংকের তালিকায় থাকা ইসলামী ব্যাংক আওয়ামী সরকারের আমলে লুটপাটের শিকার হয়। লুটপাটের কারণে আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছিল ব্যাংকটি। তবে সে অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে।

২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি মুনাফা (কনসলিডেটেড) হয়েছে ৮৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৪ টাকা ৫২ পয়সায়। ২০২৪ সালে শেয়ারপ্রতি মুনাফার পরিমাণ ছিল ৬৮ পয়সা এবং সম্পদমূল্য ছিল ৪৪ টাকা ৩৬ পয়সা।

এদিকে ‘জেড ক্যাটাগরিতে’ অবনমনের কারণে ব্যাংকটির শেয়ার দরের পতন ঘটেছে ৪ শতাংশেরও বেশি। দিনের শুরুতে ব্যাংকটির শেয়ারের দর ছিল ৩৪ টাকা ৭০ পয়সা। দিনশেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৩০ পয়সায়। এ হিসাবে দাম কমেছে ১ টাকা ৪০ পয়সা।