ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাকসু বাজেট আনে আর বিএনপিপন্থী প্রশাসন তা টেবিলেই আটকে দেয়- এবি জুবায়ের

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৬:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • / ১৯ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ডাকসুকে (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) ব্যর্থ প্রমাণ করার জন্য এক  অশ্লীল প্রতিযোগিতায় নেমেছে বলে অভিযোগ করছেন  ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের। ডাকসুর এই প্রতিনিধি দাবি করেন, একের পর এক জনকল্যাণমুখী প্রজেক্ট গুছিয়ে আনলেও বিএনপি-পন্থী প্রশাসন তা স্রেফ স্বাক্ষরের অভাবে আটকে দিচ্ছে।

তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অসহযোগিতার কথা তুলে ধরে একটা পোস্ট দেন। তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

ডাকসুকে কার্যকর হতে না দেয়ার এক অশ্লীল প্রতিযোগিতায় নেমেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একটার পর একটা প্রজেক্ট আমরা গুছিয়ে আনি আর বিএনপি পন্থী প্রশাসন তা টেবিলেই আটকে দেয়।
ইউজিসি থেকে পরিবহন খাতে সাড়ে চার কোটি টাকা বরাদ্দ এনেছিলাম আমরা। বিসিবি থেকে ২ কোটি। আরো নানা খাতে নানা বাজেট। সব এসে আটকে যায় ওনাদের টেবিলে। কাজ আর মাঠে গড়ায় না। জাস্ট একটা সাইনের অভাবে।
গত ৬৫ বছরে সেন্ট্রাল মসজিদ সংস্কার হয়নি। আমরা উদ্যোগ নিয়েছি ওনারা বলেছেন পারবেন না। ওকে, আপনাদের পারা লাগবে না। আমরা বাহির থেকে স্পনসর এনেছি। সবকিছু করেছি। সাড়ে তিন কোটি টাকার কাজ হয়েছে। শুধু এসি চালানোর জন্য বিদ্যুৎ লাইন লাগবে। মসজিদের এসি চালানোর জন্য সেই সামান্য বিদ্যুৎ লাইনটুকুও তারা দেয়নি!
আমার সেক্টরের অনেকগুলো কাজ। সবকিছু গুছিয়ে দিয়েছি, বিস্তারিত রোডম্যাপ তৈরি করে দিয়েছি। শুধু ওনাদের ফর্মাল এপ্রোচটুকু লাগবে। করে নাই।
সর্বশেষ, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের চাওয়া শনিবারের বাসের ট্রিপ। সেটাও আজ আটকে দেয়ার সুপারিশ করলেন আমাদের সম্মানিত ট্রেজারার মহোদয়!
ডাকসুকে ব্যর্থ প্রমাণ করার কি নির্লজ্জ চেষ্টা তাদের। কারণ একটাই, এই ডাকসু শিবির অধ্যুষিত ডাকসু। সিংহভাগ সম্পাদক-সদস্য শিবিরের। বড়ো বড়ো বিএনপি নেতারা প্রশাসন চালানো অবস্থায় শিবিরের ডাকসু সফল হয়ে গেলে কি আর ইজ্জত থাকে??
এই অসহযোগিতার নেপথ্যে রাজনৈতিক সংকীর্ণতাকে দায়ী করছেন ডাকসু প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, বর্তমান ডাকসুতে ‘শিবির’ ভাবাপন্ন সম্পাদক ও সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বড় বড় বিএনপি নেতারা প্রশাসন চালানো অবস্থায় ডাকসুকে সফল হতে দিতে চান না।
শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, প্রশাসনের এমন আচরণে শেষ পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার্থীরাই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ডাকসু বাজেট আনে আর বিএনপিপন্থী প্রশাসন তা টেবিলেই আটকে দেয়- এবি জুবায়ের

আপডেট সময় ০৬:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ডাকসুকে (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) ব্যর্থ প্রমাণ করার জন্য এক  অশ্লীল প্রতিযোগিতায় নেমেছে বলে অভিযোগ করছেন  ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের। ডাকসুর এই প্রতিনিধি দাবি করেন, একের পর এক জনকল্যাণমুখী প্রজেক্ট গুছিয়ে আনলেও বিএনপি-পন্থী প্রশাসন তা স্রেফ স্বাক্ষরের অভাবে আটকে দিচ্ছে।

তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অসহযোগিতার কথা তুলে ধরে একটা পোস্ট দেন। তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

ডাকসুকে কার্যকর হতে না দেয়ার এক অশ্লীল প্রতিযোগিতায় নেমেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একটার পর একটা প্রজেক্ট আমরা গুছিয়ে আনি আর বিএনপি পন্থী প্রশাসন তা টেবিলেই আটকে দেয়।
ইউজিসি থেকে পরিবহন খাতে সাড়ে চার কোটি টাকা বরাদ্দ এনেছিলাম আমরা। বিসিবি থেকে ২ কোটি। আরো নানা খাতে নানা বাজেট। সব এসে আটকে যায় ওনাদের টেবিলে। কাজ আর মাঠে গড়ায় না। জাস্ট একটা সাইনের অভাবে।
গত ৬৫ বছরে সেন্ট্রাল মসজিদ সংস্কার হয়নি। আমরা উদ্যোগ নিয়েছি ওনারা বলেছেন পারবেন না। ওকে, আপনাদের পারা লাগবে না। আমরা বাহির থেকে স্পনসর এনেছি। সবকিছু করেছি। সাড়ে তিন কোটি টাকার কাজ হয়েছে। শুধু এসি চালানোর জন্য বিদ্যুৎ লাইন লাগবে। মসজিদের এসি চালানোর জন্য সেই সামান্য বিদ্যুৎ লাইনটুকুও তারা দেয়নি!
আমার সেক্টরের অনেকগুলো কাজ। সবকিছু গুছিয়ে দিয়েছি, বিস্তারিত রোডম্যাপ তৈরি করে দিয়েছি। শুধু ওনাদের ফর্মাল এপ্রোচটুকু লাগবে। করে নাই।
সর্বশেষ, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের চাওয়া শনিবারের বাসের ট্রিপ। সেটাও আজ আটকে দেয়ার সুপারিশ করলেন আমাদের সম্মানিত ট্রেজারার মহোদয়!
ডাকসুকে ব্যর্থ প্রমাণ করার কি নির্লজ্জ চেষ্টা তাদের। কারণ একটাই, এই ডাকসু শিবির অধ্যুষিত ডাকসু। সিংহভাগ সম্পাদক-সদস্য শিবিরের। বড়ো বড়ো বিএনপি নেতারা প্রশাসন চালানো অবস্থায় শিবিরের ডাকসু সফল হয়ে গেলে কি আর ইজ্জত থাকে??
এই অসহযোগিতার নেপথ্যে রাজনৈতিক সংকীর্ণতাকে দায়ী করছেন ডাকসু প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, বর্তমান ডাকসুতে ‘শিবির’ ভাবাপন্ন সম্পাদক ও সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বড় বড় বিএনপি নেতারা প্রশাসন চালানো অবস্থায় ডাকসুকে সফল হতে দিতে চান না।
শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, প্রশাসনের এমন আচরণে শেষ পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার্থীরাই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।