ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদরাসার পুরাতন মালামাল বিক্রির অভিযোগ সভাপতির বিরুদ্ধে

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৮:৫৬:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / ২২ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় একটি মাদরাসার পুরাতন ভবনের মালামাল গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের সভাপতির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদরাসার নতুন ভবন নির্মাণের পর পুরাতন আধাপাকা ভবনটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। পরে ওই ভবনের জানালার গ্রিল, লোহার দরজা, টিন, রডসহ বিভিন্ন মালামাল তিনি গোপনে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে পরিচালনা কমিটির অন্যান্য সদস্যদের অবহিত করা হয়নি বলেও জানান তারা। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নূর মোহাম্মদ হাওলাদার। তিনি বলেন, পরিচালনা কমিটির রেজুলেশনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিক্রি করা মালামালের টাকা মাদরাসার হিসাবেই জমা করা হবে। এসব টাকা উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা হবে।

এ বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আবুল বাশার বলেন, সভাপতি আমাদের কারও সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই নিলাম ছাড়া এসব মালামাল গোপনে শিক্ষকের সঙ্গে যোগসাজশে বিক্রি করেছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আব্দুল হান্নান বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগও দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, মালামাল বিক্রির বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ধরনের বিষয় শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দেখেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

মাদরাসার পুরাতন মালামাল বিক্রির অভিযোগ সভাপতির বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০৮:৫৬:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় একটি মাদরাসার পুরাতন ভবনের মালামাল গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের সভাপতির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদরাসার নতুন ভবন নির্মাণের পর পুরাতন আধাপাকা ভবনটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। পরে ওই ভবনের জানালার গ্রিল, লোহার দরজা, টিন, রডসহ বিভিন্ন মালামাল তিনি গোপনে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে পরিচালনা কমিটির অন্যান্য সদস্যদের অবহিত করা হয়নি বলেও জানান তারা। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নূর মোহাম্মদ হাওলাদার। তিনি বলেন, পরিচালনা কমিটির রেজুলেশনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিক্রি করা মালামালের টাকা মাদরাসার হিসাবেই জমা করা হবে। এসব টাকা উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা হবে।

এ বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আবুল বাশার বলেন, সভাপতি আমাদের কারও সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই নিলাম ছাড়া এসব মালামাল গোপনে শিক্ষকের সঙ্গে যোগসাজশে বিক্রি করেছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আব্দুল হান্নান বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগও দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, মালামাল বিক্রির বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ধরনের বিষয় শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দেখেন।