ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নিলেন সাদিক কায়েম

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:১২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • / ২৬ বার পড়া হয়েছে
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিগবাতুল্লাহর মাঝ খানে দাঁড়িয়ে তোলা একটি ছবিসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট দিয়েছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। তার এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি ও সংগঠনটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাদিক কায়েম। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাদিক কায়েম জানিয়েছেন, ছাত্রশিবিরের বছরে দুইবার সেটআপ হয়। ২০২৬ সালের ষাণ্মাসিক সেটআপে আমার বিদায় হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে সাদিক কায়েম বলেন,  বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, আমার আবেগ আর ভালোবাসার প্রিয় সংগঠন!
দেখতে দেখতে দীর্ঘ এক সোনালী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলো। সংগঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে আজ সোমবার (১৩ জুলাই) আমার আনুষ্ঠানিক ছুটি হয়েছে।
সবকিছুর জন্য আল্লাহর কাছে অগণিত শুকরিয়া আদায় করছি। জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ও প্রোডাক্টিভ সময়গুলো কেটেছে এই কাফেলার সাথে।
এই প্রিয় কাফেলা আমাকে দেশ ও জাতিকে নিয়ে ভাবতে শিখিয়েছে, জড়তা ভেঙে কথা বলতে শিখিয়েছে, নেতৃত্বের গুণাবলিকে পরম মমতায় বিকশিত করেছে। ইসলামী ছাত্রশিবিরই আত্মিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশে পরিপূর্ণ পথনির্দেশনা দিয়েছে।
পেছনে ফিরে তাকালে স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে অসংখ্য প্রিয় মুখ আর সংগ্রামী চিত্র। পুরোটা সময় জুড়ে নিবেদিতপ্রাণ দায়িত্বশীল ও জনশক্তিদের যে সোহবত ও সান্নিধ্য পেয়েছি, তা আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন। জীবনের প্রতিটি বাঁকে আপনাদের কাছ থেকে শিখেছি, অনুপ্রাণিত হয়েছি।
দোয়া করি, আল্লাহ তায়ালা ইসলামী ছাত্রশিবিরের এই সংগ্রাম ও আন্দোলনের কর্মীদের পবিত্র সম্পর্কগুলোকে কবুল করুন। সামনের দিনগুলোতে এই অঞ্চলের মজলুম মানুষের মুক্তি সংগ্রামের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে পথ চলার তাওফিক দিন এবং এই আন্দোলনকে বিজয়ী করার মতো যোগ্য নেতৃত্ব দান করুন। আমীন
উল্লেখ্য, সাদিক কায়েম ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ঘোষিত হয়েছেন আরও দুই মাস আগে। গত ১ মে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে আয়োজিত থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
এই ঘোষণার পর ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ছাত্রশিবিরের পদে থেকে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নির্বাচন করার সুযোগ নেই।
বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বর্তমান সহ-সভাপতি (ভিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাদিক। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ও মাঠ পর্যায়ে সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকায় আলোচনায় আসেন তিনি।
সাদিকের শিক্ষাজীবনে শুরু হয় খাগড়াছড়িতে বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া আদর্শ মাদ্রাসায়, সেখানে তিনি ২০১৪ সালে দাখিল এবং পরবর্তীকালে বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদ্রাসা থেকে ২০১৬ সালে আলিম পাস করেন। এরপরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
জানা যায়, সাদিক কায়েম ২০১৩ সালে ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি হিসেবে তিনি প্রথম প্রকাশ্যে আসেন। ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পূর্বে চট্টগ্রামে তিনি প্রকাশ্যে ছাত্রশিবিরের আওয়ামী সরকারবিরোধী আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর পূর্বে ২০২৫-২০২৬ সময়ে তিনি কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সম্প্রতি তাকে শিবির দেওয়া বিদায় দেওয়া হয়েছে।
২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে সাদিক কায়েম সালমান ছদ্মনামে পরিচিত ছিলেন। এই নামে তিনি অভ্যুত্থানের সম্মুখসারিতে থাকা সংগঠকদের আশ্রয় ব্যবস্থা, বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করা, প্রতিদিনের কর্মসূচী পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং গণমাধ্যমে নয় দফাসহ সকল আন্দোলনের সংবাদ পৌঁছে দেওয়া প্রভৃতি কাজে যুক্ত হন। তিনি সালমান নামে আল জাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সামির সাথে যোগাযোগ করেছিলেন।
সাদিক কায়েম রাজনীতি করার পাশাপাশি বিভিন্ন অরাজনৈতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি স্টুডেন্টস এগেইনস্ট ভায়োলেন্স এরিহোয়্যারের (সেইভ) পরামর্শদাতা কর্মী ছিলেন, এই সংগঠন শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে কাজ করত। তিনি বাংলাদেশ ইয়ুথ ইনিশিয়েটিভ এর জেনারেল সেক্রেটারি ছিলেন।
তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র সংসদের সভাপতি ছিলেন। পাহাড়ি জনগণের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিল সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন।
ধারনা করা হচ্ছে, এখন তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেবেন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র-প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নিলেন সাদিক কায়েম

আপডেট সময় ০৫:১২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিগবাতুল্লাহর মাঝ খানে দাঁড়িয়ে তোলা একটি ছবিসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট দিয়েছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। তার এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি ও সংগঠনটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাদিক কায়েম। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাদিক কায়েম জানিয়েছেন, ছাত্রশিবিরের বছরে দুইবার সেটআপ হয়। ২০২৬ সালের ষাণ্মাসিক সেটআপে আমার বিদায় হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে সাদিক কায়েম বলেন,  বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, আমার আবেগ আর ভালোবাসার প্রিয় সংগঠন!
দেখতে দেখতে দীর্ঘ এক সোনালী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলো। সংগঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে আজ সোমবার (১৩ জুলাই) আমার আনুষ্ঠানিক ছুটি হয়েছে।
সবকিছুর জন্য আল্লাহর কাছে অগণিত শুকরিয়া আদায় করছি। জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ও প্রোডাক্টিভ সময়গুলো কেটেছে এই কাফেলার সাথে।
এই প্রিয় কাফেলা আমাকে দেশ ও জাতিকে নিয়ে ভাবতে শিখিয়েছে, জড়তা ভেঙে কথা বলতে শিখিয়েছে, নেতৃত্বের গুণাবলিকে পরম মমতায় বিকশিত করেছে। ইসলামী ছাত্রশিবিরই আত্মিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশে পরিপূর্ণ পথনির্দেশনা দিয়েছে।
পেছনে ফিরে তাকালে স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে অসংখ্য প্রিয় মুখ আর সংগ্রামী চিত্র। পুরোটা সময় জুড়ে নিবেদিতপ্রাণ দায়িত্বশীল ও জনশক্তিদের যে সোহবত ও সান্নিধ্য পেয়েছি, তা আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন। জীবনের প্রতিটি বাঁকে আপনাদের কাছ থেকে শিখেছি, অনুপ্রাণিত হয়েছি।
দোয়া করি, আল্লাহ তায়ালা ইসলামী ছাত্রশিবিরের এই সংগ্রাম ও আন্দোলনের কর্মীদের পবিত্র সম্পর্কগুলোকে কবুল করুন। সামনের দিনগুলোতে এই অঞ্চলের মজলুম মানুষের মুক্তি সংগ্রামের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে পথ চলার তাওফিক দিন এবং এই আন্দোলনকে বিজয়ী করার মতো যোগ্য নেতৃত্ব দান করুন। আমীন
উল্লেখ্য, সাদিক কায়েম ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ঘোষিত হয়েছেন আরও দুই মাস আগে। গত ১ মে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে আয়োজিত থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
এই ঘোষণার পর ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ছাত্রশিবিরের পদে থেকে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নির্বাচন করার সুযোগ নেই।
বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বর্তমান সহ-সভাপতি (ভিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাদিক। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ও মাঠ পর্যায়ে সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকায় আলোচনায় আসেন তিনি।
সাদিকের শিক্ষাজীবনে শুরু হয় খাগড়াছড়িতে বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া আদর্শ মাদ্রাসায়, সেখানে তিনি ২০১৪ সালে দাখিল এবং পরবর্তীকালে বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদ্রাসা থেকে ২০১৬ সালে আলিম পাস করেন। এরপরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
জানা যায়, সাদিক কায়েম ২০১৩ সালে ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি হিসেবে তিনি প্রথম প্রকাশ্যে আসেন। ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পূর্বে চট্টগ্রামে তিনি প্রকাশ্যে ছাত্রশিবিরের আওয়ামী সরকারবিরোধী আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর পূর্বে ২০২৫-২০২৬ সময়ে তিনি কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সম্প্রতি তাকে শিবির দেওয়া বিদায় দেওয়া হয়েছে।
২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে সাদিক কায়েম সালমান ছদ্মনামে পরিচিত ছিলেন। এই নামে তিনি অভ্যুত্থানের সম্মুখসারিতে থাকা সংগঠকদের আশ্রয় ব্যবস্থা, বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করা, প্রতিদিনের কর্মসূচী পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং গণমাধ্যমে নয় দফাসহ সকল আন্দোলনের সংবাদ পৌঁছে দেওয়া প্রভৃতি কাজে যুক্ত হন। তিনি সালমান নামে আল জাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সামির সাথে যোগাযোগ করেছিলেন।
সাদিক কায়েম রাজনীতি করার পাশাপাশি বিভিন্ন অরাজনৈতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি স্টুডেন্টস এগেইনস্ট ভায়োলেন্স এরিহোয়্যারের (সেইভ) পরামর্শদাতা কর্মী ছিলেন, এই সংগঠন শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে কাজ করত। তিনি বাংলাদেশ ইয়ুথ ইনিশিয়েটিভ এর জেনারেল সেক্রেটারি ছিলেন।
তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র সংসদের সভাপতি ছিলেন। পাহাড়ি জনগণের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিল সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন।
ধারনা করা হচ্ছে, এখন তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেবেন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র-প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন।