টাকা আত্মসাতের মামলায় জনতা ব্যাংকের পাঁচ কর্মকর্তার ৮ বছর কারাদণ্ড
- আপডেট সময় ০৬:১৬:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
- / ৩০ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রামে জনতা ব্যাংকের ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা আত্মসাতের মামলায় সাবেক পাঁচ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ধারায় ৮ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৪৬ লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
রোববার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন জনতা ব্যাংক শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখার সাবেক কর্মকর্তা মো. আবু তৈয়ব, বাবুল চন্দ্র মজুমদার, রনেন্দ্র বিকাশ সাহা ও মোসলেম উদ্দিন এবং জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সাবেক এসপিও মো. সাঈদ হোসেন।
তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একই শাখার সাবেক কর্মকর্তা নুরুল হুদাকে খালাস দিয়েছেন আদালত। এছাড়া অপর আসামি আবু বকর সিদ্দিকীর রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. এনামুল ইসলাম জানান, ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত কারাদণ্ড দেন।রায় ঘোষণার সময় নুরুল হুদা ছাড়া অন্য আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরে আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, জনতা ব্যাংক শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা ও গ্রাহক পারস্পরিক যোগসাজশে ব্যাংকের বিভিন্ন হিসাব থেকে অবৈধভাবে অর্থ স্থানান্তর করেন। পরে সেই অর্থ বিভিন্ন চলতি ও এসটিডি হিসাবের মাধ্যমে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।
তদন্তে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা আত্মসাতের তথ্য উঠে আসে। ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০০০ সালের ২৯ মার্চ পর্যন্ত সময়ে এসব অনিয়ম সংঘটিত হয়।
এ ঘটনায় ২০০০ সালের ৬ এপ্রিল জনতা ব্যাংকের শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখার তৎকালীন ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আবুল কাসেম মিয়া নগরীর ডবলমুরিং থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। পরে ২০১৩ সালের ৬ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।




















