ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরাইল ফিলিস্তিন থেকে সবার দৃষ্টি সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে: এরদোয়ান

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০১:৪৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৭ বার পড়া হয়েছে

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান বলেছেন, ইসরাইল সরকার মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা ও নতুন সংঘাত উসকে দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিভিন্ন আলোচ্যসূচি থেকে ফিলিস্তিন ইস্যু মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। তবে এই প্রচেষ্টা সফল হবে না এবং তুরস্ক সব আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে ফিলিস্তিনের পক্ষে জোরালোভাবে অবস্থান নেওয়া অব্যাহত রাখবে বলে জানান তিনি।

আংকারায় ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এরদোয়ান বলেন, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমে ইসরাইলের দখলদারত্ব, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি ও ফিলিস্তিনি ভূমি দখলের নীতি আরো তীব্র হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ২০২৬ সালে এ পর্যন্ত বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা, উচ্ছেদ ও স্থাপনা ধ্বংসের কারণে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত এবং প্রায় ১০০ জন নিহত হয়েছেন।

এরদোয়ান ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও ভৌগোলিকভাবে অখণ্ড ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি তুরস্কের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে আল-আকসা মসজিদসহ পবিত্র স্থাপনাগুলোর বর্তমান মর্যাদা পরিবর্তনের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেন।

গাজা প্রসঙ্গে এরদোয়ান বলেন, যুদ্ধবিরতি ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগ সত্ত্বেও ইসরায়েল সংঘাত অব্যাহত রাখার অবস্থান নিয়েছে। তিনি গাজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দ্রুত পুনর্গঠন ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরুর আহ্বান জানান।

অন্যদিকে মাহমুদ আব্বাস ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতার পক্ষে তুরস্কের সমর্থনের জন্য এরদোয়ানকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার ভিত্তি হতে পারে।

সূত্র: ডেইলি সাবাহ

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরাইল ফিলিস্তিন থেকে সবার দৃষ্টি সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে: এরদোয়ান

আপডেট সময় ০১:৪৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান বলেছেন, ইসরাইল সরকার মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা ও নতুন সংঘাত উসকে দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিভিন্ন আলোচ্যসূচি থেকে ফিলিস্তিন ইস্যু মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। তবে এই প্রচেষ্টা সফল হবে না এবং তুরস্ক সব আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে ফিলিস্তিনের পক্ষে জোরালোভাবে অবস্থান নেওয়া অব্যাহত রাখবে বলে জানান তিনি।

আংকারায় ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এরদোয়ান বলেন, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমে ইসরাইলের দখলদারত্ব, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি ও ফিলিস্তিনি ভূমি দখলের নীতি আরো তীব্র হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ২০২৬ সালে এ পর্যন্ত বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা, উচ্ছেদ ও স্থাপনা ধ্বংসের কারণে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত এবং প্রায় ১০০ জন নিহত হয়েছেন।

এরদোয়ান ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও ভৌগোলিকভাবে অখণ্ড ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি তুরস্কের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে আল-আকসা মসজিদসহ পবিত্র স্থাপনাগুলোর বর্তমান মর্যাদা পরিবর্তনের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেন।

গাজা প্রসঙ্গে এরদোয়ান বলেন, যুদ্ধবিরতি ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগ সত্ত্বেও ইসরায়েল সংঘাত অব্যাহত রাখার অবস্থান নিয়েছে। তিনি গাজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দ্রুত পুনর্গঠন ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরুর আহ্বান জানান।

অন্যদিকে মাহমুদ আব্বাস ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতার পক্ষে তুরস্কের সমর্থনের জন্য এরদোয়ানকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার ভিত্তি হতে পারে।

সূত্র: ডেইলি সাবাহ