ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশি বৈঠকে শ্রমিক দল নেতাকে হত্যা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০২:১০:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • / ২০ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশি বৈঠকে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় জাহাঙ্গীর আলম নামে এক শ্রমিক দল নেতা নিহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম (৫০) ওই এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।
জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর আগে একই এলাকার সাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. আতাউল্লাহর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকত। সোমবার বিকেলে জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির দাম্পত্য কলহের বিষয় নিয়ে এলাকায় একটি সালিশি বৈঠক বসে।
বৈঠকে জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে আতাউল্লাহর পরিবারের সদস্যদের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আতাউল্লাহর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মেয়ের বাড়ির পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় প্রতিপক্ষের হামলায় জাহাঙ্গীর আলমসহ ৫-৬ জন আহত হন।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রকিব উর রেজা বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় ।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশি বৈঠকে শ্রমিক দল নেতাকে হত্যা

আপডেট সময় ০২:১০:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশি বৈঠকে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় জাহাঙ্গীর আলম নামে এক শ্রমিক দল নেতা নিহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম (৫০) ওই এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।
জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর আগে একই এলাকার সাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. আতাউল্লাহর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকত। সোমবার বিকেলে জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির দাম্পত্য কলহের বিষয় নিয়ে এলাকায় একটি সালিশি বৈঠক বসে।
বৈঠকে জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে আতাউল্লাহর পরিবারের সদস্যদের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আতাউল্লাহর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মেয়ের বাড়ির পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় প্রতিপক্ষের হামলায় জাহাঙ্গীর আলমসহ ৫-৬ জন আহত হন।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রকিব উর রেজা বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় ।”