হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু
আদ-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ নয়, অপরাধীর বিচার চান না ভুক্তভোগী পরিবার
- আপডেট সময় ০৫:৪৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
- / ২৮ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দিলে লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘাষণাকে বেআইনি বলে দাবি জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে একটি হোটেলে ছয় নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির।
মারা যাওয়া এক নবজাতকের বাবা হাবিবুর রহমান একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রকৃত দোষীর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘একজনের দোষের জন্য পুরো হাসপাতাল বন্ধ হয়ে যাক তা আমরা চাই না।’
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সব পরিবারের সদস্যদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, চাকরিসহ আজীবন ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষে শিশির মনির।
এ সময় মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করা শোকজের আইনিভাবে মোকাবিলা করা হবে বলে জানান তিনি।
শিশির মনির বলেন, ‘যে ওয়ার্ডে নবজাতক মারা গেছে, সেখানে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড কী পরিমাণ ছিল, কী ধরনের অবহেলা ছিল সেটির সুস্পষ্ট তথ্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে নেই। কিন্তু নিবন্ধন বাতিলের মতো সুস্পষ্ট প্রমাণে ঘাটতি আছে বলে আমরা মনে করি।’
তিনি বলেন, ‘ওই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও চাকরিসহ পরিবারের সদস্যদের আজীবন বিভিন্ন ক্ষতিপূরণ দেবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে পেশাদারিত্বের অবহেলার কারণে অন্তত তিনজনকে সামায়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।’
গত ২৭ মে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রসব-পরবর্তী ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।
ওইদিন ভোরে রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে তিন ঘণ্টার মধ্যে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় অবহেলার অভিযোগ এনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এক শিশুর স্বজনের করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রমনা থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।




















