শিবির নেতা গ্রেপ্তার ইস্যুতে বাদানুবাদে উত্তপ্ত সংসদ
- আপডেট সময় ০৩:৫৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
- / ৩২ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে ‘নিখোঁজ’ হওয়ার ২৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার ও পরে গ্রেপ্তার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. জিসান মিয়া প্রধানের বিষয়টি সংসদকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ভ্রুণ নষ্টের মামলা ও উদ্ধার প্রক্রিয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেছেন তিনি। তবে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় উপনেতা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিষয়টি অনেকে ভিন্নভাবে ভেরিফায়েড ফেসবুক জানাতে চেয়েছিল। নানাভাবে বর্ণনা করে সরকারকে দায়ী করা হয়েছিল। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের পরে সেটি জাতির কাছে প্রকাশ করা দরকার ছিল বলে আমাদের মনে হয়েছে। সে জন্য জাতীয় সংসদের কাছে জানালাম।’ এর আগে দুদকের দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।
পরবর্তী জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বেনজিরকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে সাধুবাদ জানান। তবে শিবির নেতার প্রসঙ্গ তোলায় প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি সংসদ তুলতে দেওয়া উচিৎ হয়নি। একটি বিতর্কিত বিষয় এভাবে তোলা বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই প্রথম।
তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি দলকে নিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এটি তোলা হয়েছে। জিসান কোথায় আছে? জিসানকে কারও সঙ্গে কথা বলা হয়নি। মেয়েটাকেও কথা বলতে দেওয়া হয়নি। এখানে কি প্লট তৈরি করা হচ্ছে? কোনটা সঠিক, এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। এমন অনেক ঘটনা ঘটলেও শুধু এটিই সংসদে তোলা হলো। এ সময় তিনি বক্তব্য প্রত্যাহার বা এক্সপাঞ্জ করার আহবান জানান তিনি।
এ সময় ডেপুটি স্পিকার হলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পরিস্থিতি শান্ত করতে সবাইকে বসতে বলার আহবান জানান। তবে দুই দলের সংসদ সদস্যরাই হট্টগোল শুরু করেন। কায়সার কামাল বলেন, এটা সংসদের সর্বোচ্চ জায়গা। এখানে সবাই দায়িত্বশীল আচরণ করবেন। পরীক্ষা দেখা হবে, বক্তব্যটি এক্সপাঞ্জ করা যায় কিনা।




















