ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘দোকানে বিএনপির লোক বসবি না’, বোমাসদৃশ বস্তু ও চিরকুট পাঠিয়ে হুমকি

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৫:০০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • / ১৩ বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় একটি দোকানের সামনে বোমাসদৃশ বস্তু ও বিএনপিবিরোধী হুমকিসংবলিত চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (১৭ জুন) সকালে উপজেলার নওদা মটমুড়া গ্রামের কাজলের ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

দোকানটির মালিক একই গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলাম। উদ্ধারকৃত চিরকুটে লেখা ছিল, ‘এই দোকানে বিএনপির কোনো লোক বসববি না। যারা বসবি তাদের সমস্যা আছে। এই গ্রামে বিএনপির নামগন্ধ রাখবো না।’

স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যান শরিফুল ইসলাম। বুধবার সকালে দোকান খুলতে এসে তিনি দোকানের সামনে একটি বোমাসদৃশ বস্তু ও একটি চিরকুট দেখতে পান। পরে বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানালে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা পুলশে খবর দিলে, গাংনী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমাসদৃশ বস্তু ও চিরকুটটি জব্দ করে।

দোকান মালিক শরিফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সকালে দোকান খুলতে এসে সামনে বোমাসদৃশ একটি বস্তু ও চিরকুট দেখতে পাই। বিষয়টি দেখে ভয় পেয়ে যাই। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে সেগুলো উদ্ধার করে নিয়ে যায়।’

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিস মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, ‘সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত উদ্ধার করেছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এ ধরনের কাজ করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ’

জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে বলেও জানান ওসি। এদিকে ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পুলিশ বলছে, বোমাসদৃশ বস্তুটির প্রকৃতি এবং ঘটনার পেছনের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘দোকানে বিএনপির লোক বসবি না’, বোমাসদৃশ বস্তু ও চিরকুট পাঠিয়ে হুমকি

আপডেট সময় ০৫:০০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় একটি দোকানের সামনে বোমাসদৃশ বস্তু ও বিএনপিবিরোধী হুমকিসংবলিত চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (১৭ জুন) সকালে উপজেলার নওদা মটমুড়া গ্রামের কাজলের ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

দোকানটির মালিক একই গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলাম। উদ্ধারকৃত চিরকুটে লেখা ছিল, ‘এই দোকানে বিএনপির কোনো লোক বসববি না। যারা বসবি তাদের সমস্যা আছে। এই গ্রামে বিএনপির নামগন্ধ রাখবো না।’

স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যান শরিফুল ইসলাম। বুধবার সকালে দোকান খুলতে এসে তিনি দোকানের সামনে একটি বোমাসদৃশ বস্তু ও একটি চিরকুট দেখতে পান। পরে বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানালে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা পুলশে খবর দিলে, গাংনী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমাসদৃশ বস্তু ও চিরকুটটি জব্দ করে।

দোকান মালিক শরিফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সকালে দোকান খুলতে এসে সামনে বোমাসদৃশ একটি বস্তু ও চিরকুট দেখতে পাই। বিষয়টি দেখে ভয় পেয়ে যাই। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে সেগুলো উদ্ধার করে নিয়ে যায়।’

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিস মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, ‘সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত উদ্ধার করেছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এ ধরনের কাজ করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ’

জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে বলেও জানান ওসি। এদিকে ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পুলিশ বলছে, বোমাসদৃশ বস্তুটির প্রকৃতি এবং ঘটনার পেছনের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত আছে।