ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ হাজার কৃষক, মোট ২৫৯ কোটি টাকার ক্ষতি

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০২:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / ২৭ বার পড়া হয়েছে

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সামনে এসেছে। জেলায় এখন পর্যন্ত মোট ১৩ হাজার ১২২ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার কৃষক। কৃষি বিভাগের হিসাবে, এ ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫৯ কোটি টাকা।

এদিকে দুর্যোগের মধ্যেও কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে হাওরে। টানা বৃষ্টির পর দু-দিন ধরে সূর্যের দেখা মেলায় ফসল রক্ষা ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন হাজার হাজার কৃষক।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় হাওরের প্রায় ৬২ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই বাকি ধান কাটা শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার নদ-নদীর পানির উচ্চতায় মিশ্র পরিবর্তন দেখা গেছে। ইটনার ধনু নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার কমলেও অষ্টগ্রামের কালনী নদীতে পানি ৩ সেন্টিমিটার বেড়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ হাজার কৃষক, মোট ২৫৯ কোটি টাকার ক্ষতি

আপডেট সময় ০২:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সামনে এসেছে। জেলায় এখন পর্যন্ত মোট ১৩ হাজার ১২২ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার কৃষক। কৃষি বিভাগের হিসাবে, এ ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫৯ কোটি টাকা।

এদিকে দুর্যোগের মধ্যেও কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে হাওরে। টানা বৃষ্টির পর দু-দিন ধরে সূর্যের দেখা মেলায় ফসল রক্ষা ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন হাজার হাজার কৃষক।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় হাওরের প্রায় ৬২ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই বাকি ধান কাটা শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার নদ-নদীর পানির উচ্চতায় মিশ্র পরিবর্তন দেখা গেছে। ইটনার ধনু নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার কমলেও অষ্টগ্রামের কালনী নদীতে পানি ৩ সেন্টিমিটার বেড়েছে।